/* */
Dhaka , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত সেলিম মিয়া (৪২) নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। তিনি ওসমানীনগর উপজেলার সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে।

আজ শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে তাকে পাঠানো হয় সিলেট আদালতে। এর আগের দিন রাতে ভিকটিমের পিতা মামলা দেয়ার পর নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত বুধবার (১৬ এপ্রিল) উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের মান্দারুকা গ্রামে ধর্ষণের ওই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ভিকটিমের পরিবার সূত্র জানায়, ধর্ষিতা ছাত্রী উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী। গত রমজানে দারুল ক্বিরাত শিক্ষা কেন্দ্রে কোরআন শিক্ষা নিতে স্থানীয় একটি মসজিদে ভর্তি হয় সে। ওই শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক ছিলেন ক্বারী সেলিম মিয়া। সে সুবাদে তার সাথে মেয়েটির পরিচয়। ঘটনার দিন মেয়েটি নিজ বাড়ি থেকে মাদরাসায় যাবার পথে, তাকে জোরপূর্বক তুলে নেন অভিযুক্ত শিক্ষক। সিলেট শহরের একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন তাকে। পরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায় ভিকটিম। জানাজানি হবার পর টাকায় ঘটনাটি রফাদফার চেষ্টা করেন তিনি। পরদিন রাতে থানায় এসে মামলা (নাম্বার-৬) দেন ভিকটিমের পিতা।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে বলেন, ‘মেয়েটির পিতা থানায় এলে আমরা দ্রুত মামলা নেই। তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বয়কট করল সিলেট বিএনপি

ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

আপডেটের সময় : ১১:৫৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত সেলিম মিয়া (৪২) নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। তিনি ওসমানীনগর উপজেলার সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে।

আজ শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে তাকে পাঠানো হয় সিলেট আদালতে। এর আগের দিন রাতে ভিকটিমের পিতা মামলা দেয়ার পর নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত বুধবার (১৬ এপ্রিল) উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের মান্দারুকা গ্রামে ধর্ষণের ওই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ভিকটিমের পরিবার সূত্র জানায়, ধর্ষিতা ছাত্রী উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী। গত রমজানে দারুল ক্বিরাত শিক্ষা কেন্দ্রে কোরআন শিক্ষা নিতে স্থানীয় একটি মসজিদে ভর্তি হয় সে। ওই শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক ছিলেন ক্বারী সেলিম মিয়া। সে সুবাদে তার সাথে মেয়েটির পরিচয়। ঘটনার দিন মেয়েটি নিজ বাড়ি থেকে মাদরাসায় যাবার পথে, তাকে জোরপূর্বক তুলে নেন অভিযুক্ত শিক্ষক। সিলেট শহরের একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন তাকে। পরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায় ভিকটিম। জানাজানি হবার পর টাকায় ঘটনাটি রফাদফার চেষ্টা করেন তিনি। পরদিন রাতে থানায় এসে মামলা (নাম্বার-৬) দেন ভিকটিমের পিতা।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে বলেন, ‘মেয়েটির পিতা থানায় এলে আমরা দ্রুত মামলা নেই। তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট