/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করলো ভারত, দুই মাসে আসলো ৫০০ টন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশে ইলিশের ঘাটতি পূরণে ভারত থেকে বড় পরিমাণে মাছ আসছে। গত দুই মাসে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি করেছে ভারত। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ পাঠানো হতে পারে।

সাধারণত বাংলাদেশ থেকেই ভারতে ইলিশ যায়। কিন্তু এবার দেশে উৎপাদন কমে যাওয়ায় চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ভারতের দিকে ঝুঁকেছেন।

এসব চালান মূলত গুজরাট থেকে সংগ্রহ করে ভারুচ বন্দর দিয়ে পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু সরবরাহ পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া পাইকারি মাছের বাজার হয়েও এসেছে।

হাওড়া হোলসেল ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ জানান, বাংলাদেশ এবারই প্রথম ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে। সাধারণত বোয়াল, রুই, পারশে ও ট্যাংরার মতো মাছ পাঠানো হয়। কিন্তু এ বছর সেখানে ইলিশের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, গত দুই মাসে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহগুলোতে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন রপ্তানির কথা রয়েছে।

মকসুদের মতে, গুজরাটের ইলিশে প্রচুর ডিম থাকে। ভারতের বাজারে এর চাহিদা তুলনামূলক কম হলেও বাংলাদেশে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেটে ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা বেশি। এ কারণেই এটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও জানান, আমদানি করা কিছু ইলিশ প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশের বাজারেও রপ্তানি করা হচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে শুকিয়ে নোনা ইলিশ হিসেবেও বিক্রি হচ্ছে।

আসন্ন উৎসবের মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। গত বছর উৎসবের আগে বাংলাদেশ সরকার ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন

 

আইএনবি / বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করলো ভারত, দুই মাসে আসলো ৫০০ টন

বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করলো ভারত, দুই মাসে আসলো ৫০০ টন

আপডেটের সময় : ০৮:৩৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশে ইলিশের ঘাটতি পূরণে ভারত থেকে বড় পরিমাণে মাছ আসছে। গত দুই মাসে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি করেছে ভারত। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ পাঠানো হতে পারে।

সাধারণত বাংলাদেশ থেকেই ভারতে ইলিশ যায়। কিন্তু এবার দেশে উৎপাদন কমে যাওয়ায় চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ভারতের দিকে ঝুঁকেছেন।

এসব চালান মূলত গুজরাট থেকে সংগ্রহ করে ভারুচ বন্দর দিয়ে পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু সরবরাহ পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া পাইকারি মাছের বাজার হয়েও এসেছে।

হাওড়া হোলসেল ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ জানান, বাংলাদেশ এবারই প্রথম ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে। সাধারণত বোয়াল, রুই, পারশে ও ট্যাংরার মতো মাছ পাঠানো হয়। কিন্তু এ বছর সেখানে ইলিশের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, গত দুই মাসে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহগুলোতে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন রপ্তানির কথা রয়েছে।

মকসুদের মতে, গুজরাটের ইলিশে প্রচুর ডিম থাকে। ভারতের বাজারে এর চাহিদা তুলনামূলক কম হলেও বাংলাদেশে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেটে ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা বেশি। এ কারণেই এটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও জানান, আমদানি করা কিছু ইলিশ প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশের বাজারেও রপ্তানি করা হচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে শুকিয়ে নোনা ইলিশ হিসেবেও বিক্রি হচ্ছে।

আসন্ন উৎসবের মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। গত বছর উৎসবের আগে বাংলাদেশ সরকার ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন

 

আইএনবি / বিভূঁইয়া


প্রিন্ট