বিনোদন ডেস্ক:জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতা থেকে নীহারিকা এনএম এখন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী । পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে আপত্তি থাকায় এক সময় বড় সিনেমার সুযোগ হারাতে হয়েছিল তাকে।
গেল ৩০ জুলাই মুক্তি পেয়েছে নীহারিকার প্রথম বলিউড সিনেমা ‘ভাই তেরা স্টার হ্যায়’। সিনেমা মুক্তির আগে এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয় জীবনের শুরু, প্রত্যাখ্যান আর কঠিন সিদ্ধান্তের গল্প শোনান তিনি।
নীহারিকা জানান, কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে জনপ্রিয় হওয়ার আগেই অভিনয়কে পেশা হিসেবে নিতে চেয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যেই কয়েক বছর আগে মুম্বাইয়ে চলে আসেন।
তবে বলিউডে শুরুটা সহজ হয়নি।
নীহারিকার ভাষ্য, হিন্দি চলচ্চিত্রে নারীদের জন্য যে সৌন্দর্যের মানদণ্ড তৈরি করা হয়েছে, সেটা তাকে হতাশ করেছিল।
তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমি বলিউডেই চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু নারীদের চেহারা, গায়ের রং কিংবা সৌন্দর্য নিয়ে যেসব প্রত্যাশা ছিল, সেগুলো আমার ভালো লাগেনি। মনে হয়েছিল, এই লড়াইটা আমি করতে চাই না। তা ছাড়া জায়গাটাও ছিল খুব প্রতিযোগিতাপূর্ণ।’
এরপর দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রে মনোযোগ দেন নীহারিকা এবং নির্মাতা কার্তিক সুব্বারাজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্টোন বেঞ্চ ফিল্মসের সঙ্গে তিন সিনেমার চুক্তি করেন। কিন্তু সেই চুক্তিই পরে তার আফসোসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ চুক্তির মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণের কয়েকটি সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছিলাম। কিন্তু চুক্তির কারণে সেগুলো করতে পারেননি তিনি।
সাক্ষাৎকারে নীহারিকা আরও জানান, একজন নামকরা পরিচালকের সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য অডিশন, লুক টেস্ট- সবকিছু শেষ হয়েছিল। এমনকি চুক্তিপত্রেও সই করেছিলেন। কিন্তু পরে চুক্তিতে থাকা একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যসংক্রান্ত শর্ত নিয়ে আপত্তি জানান।
নীহারিকা বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলেছিলাম, পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে আমি স্বচ্ছন্দ নই। প্রযোজনা সংস্থা বিষয়টি মেনে নিয়েছিল এবং বডি ডাবল ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু সহশিল্পী বডি ডাবলের সঙ্গে ওই দৃশ্য করতে রাজি ছিলেন না। সেটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এরপর পরিস্থিতি এমন দাঁড়াল যে, হয় দৃশ্যটি করতে হবে, নয়তো সিনেমা ছাড়তে হবে।’
শেষ পর্যন্ত সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ান নীহারিকা। তবে তিনি ওই পরিচালক বা সেই সহশিল্পীর নাম প্রকাশ করেননি।
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রিন্ট

আইএনবি নিউজ ডেস্ক 























