ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া জগলুল পাশা গ্রেপ্তার Logo জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo দেশটা আমাদের সবার, পরিবেশও আমাদেরই রক্ষা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo ১৫ মাস পর দেশে ফিরছেন ইলিয়াস কাঞ্চন Logo পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo গাজীপুরে সাতজনকে হত্যার ঘটনায় বিচারের মুখে হাসিনা-হারুনসহ ১০ জন Logo ঢাকার চারপাশে সচল হবে নৌপথ, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা Logo রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু Logo আদালতকে বলতে চাইলাম ফাঁসি দিয়ে দেন, প্রস্তুত আছি: লতিফ সিদ্দিকী Logo নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহকে (ভিডিও)

নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৭

ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:  নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া ও কলেজরোড এলাকায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের অন্তত সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সরকারি তোলারাম কলেজে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- তোলারাম কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এমদাদুল হক শুভ, সাধারণ সম্পাদক তামিম, অর্থ সম্পাদক জুবায়েদ, মনির, ইসমাইল, ছাত্রদল নেতা তুহিন আহমেদসহ দুইজন।

মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি অমিত বলেন, আমি তাদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। ছাত্রদলের অনিকের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক।

কোনোদিন কথা কাটাকাটিও হয়নি। সে এসে আমার এক জনশক্তির ওপর হামলা করেছে।

আমরা মনে করি ছাত্রদল সারা দেশে হল দখলের পাঁয়তারা করছে। কারণ তারা শিবিরের কারণে কলেজে চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি করতে পারে না। এ কারণে তারা শিবিরকে হলছাড়া করতে চেষ্টা করছে। কিন্তু তোলারাম কলেজ ছাত্রশিবির অন্য কলেজের মতো না। আমাদের ওপর হামলা করলে আমরা চলে যাবো এটার কোনো কারণ নেই। আমাদের তিনজন আহত হয়েছে, তারা হাসপাতালে ভর্তি। তারা কলেজের সভাপতি, সেক্রেটারি ও অর্থ সম্পাদক। জুলাইয়ের কর্মসূচিতে তারা ছিল, তারা বক্তব্যও দিয়েছে। সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে তারা হামলা করেছে। আমরা আহতদের খবর নিতে এখানে এসেছিলাম।

এ বিষয়ে তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া জানান, ওরা পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছে। আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অনুষ্ঠান ছিল। গণঅভ্যুত্থান তো সবারই। সবাই এখানে অংশগ্রহণ করবে। কিন্তু তারা পরিকল্পনা করে এসেছে এখানে ঝামেলা করবে।

তিনি আরও বলেন, তারা শহীদ মিনারে লোকজন জড়ো করে রেখেছে। আমরা মাত্র ২০/৩০জন ছিলাম। ওদের মনে হয়েছে আমরা ওদের মারবো। আমরা কেন মারবো, আমাদের সরকার। এটা তো আমাদের বদনাম। আমাদের এমন ইন্টেনশন ছিল না। তারা যে এভাবে হামলা করবে আমরা কল্পনাও করিনি। তারা যেহেতু হামলা শুরু করেছে ছাত্রদল এটা শেষ করবে।

এদিকে হামলার পরে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসানুজ্জামান জানান, কলেজের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পুলিশ খবর পেয়ে এখানে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে দুই পক্ষকে শান্ত করে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। যতক্ষণ দরকার পুলিশ এখানে থাকবে। এ ঘটনায় চার পাঁচজন আহত হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউনূসকে পাশে নিয়ে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৭

আপডেট সময় ০৩:৩২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:  নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া ও কলেজরোড এলাকায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের অন্তত সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সরকারি তোলারাম কলেজে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- তোলারাম কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এমদাদুল হক শুভ, সাধারণ সম্পাদক তামিম, অর্থ সম্পাদক জুবায়েদ, মনির, ইসমাইল, ছাত্রদল নেতা তুহিন আহমেদসহ দুইজন।

মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি অমিত বলেন, আমি তাদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। ছাত্রদলের অনিকের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক।

কোনোদিন কথা কাটাকাটিও হয়নি। সে এসে আমার এক জনশক্তির ওপর হামলা করেছে।

আমরা মনে করি ছাত্রদল সারা দেশে হল দখলের পাঁয়তারা করছে। কারণ তারা শিবিরের কারণে কলেজে চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি করতে পারে না। এ কারণে তারা শিবিরকে হলছাড়া করতে চেষ্টা করছে। কিন্তু তোলারাম কলেজ ছাত্রশিবির অন্য কলেজের মতো না। আমাদের ওপর হামলা করলে আমরা চলে যাবো এটার কোনো কারণ নেই। আমাদের তিনজন আহত হয়েছে, তারা হাসপাতালে ভর্তি। তারা কলেজের সভাপতি, সেক্রেটারি ও অর্থ সম্পাদক। জুলাইয়ের কর্মসূচিতে তারা ছিল, তারা বক্তব্যও দিয়েছে। সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে তারা হামলা করেছে। আমরা আহতদের খবর নিতে এখানে এসেছিলাম।

এ বিষয়ে তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া জানান, ওরা পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছে। আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অনুষ্ঠান ছিল। গণঅভ্যুত্থান তো সবারই। সবাই এখানে অংশগ্রহণ করবে। কিন্তু তারা পরিকল্পনা করে এসেছে এখানে ঝামেলা করবে।

তিনি আরও বলেন, তারা শহীদ মিনারে লোকজন জড়ো করে রেখেছে। আমরা মাত্র ২০/৩০জন ছিলাম। ওদের মনে হয়েছে আমরা ওদের মারবো। আমরা কেন মারবো, আমাদের সরকার। এটা তো আমাদের বদনাম। আমাদের এমন ইন্টেনশন ছিল না। তারা যে এভাবে হামলা করবে আমরা কল্পনাও করিনি। তারা যেহেতু হামলা শুরু করেছে ছাত্রদল এটা শেষ করবে।

এদিকে হামলার পরে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসানুজ্জামান জানান, কলেজের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পুলিশ খবর পেয়ে এখানে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে দুই পক্ষকে শান্ত করে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। যতক্ষণ দরকার পুলিশ এখানে থাকবে। এ ঘটনায় চার পাঁচজন আহত হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট