ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার Logo রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে বঙ্গভবন ঘিরে কৌতূহল Logo ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে কথা না বলায় ক্যাটরিনার ফ্যান পেজ বন্ধ Logo জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা Logo মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ আটক Logo হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু Logo সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের ফ্ল্যাটে মিলেছে ৩০০ কোট, ৫৩২ টাই ও ১০০ কামিজ Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার Logo দেশের গণপরিবহন আধুনিকায়নে ১ হাজার ৪০০ বৈদ্যুতিক বাস চালুর পরিকল্পনা

মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট-বোটসহ ৫২ জনকে আটক করলো নৌবাহিনী

আইএনবি ডেস্ক: বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা, সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ এবং সমুদ্রে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন টহল ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে । এরই অংশ হিসেবে মিয়ানমারে পাচারকালে বঙ্গোপসাগরে ১৪৫০ বস্তা সিমেন্ট, ৫টি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ফিশিং বোট ও পাচারচক্রের ৫২ সদস্যকে আটক করেছে নৌবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে বঙ্গোপসাগরে টহলকালে পরিচালিত অভিযানে সিমেন্ট-বোটসহ পাচারচক্রের ৫২ সদস্যকে আটক করে নৌবাহিনী।

জানা গেছে, নৌবাহিনী জাহাজ টহলকার্যে নিয়োজিত থাকাকালীন বৃহস্পতিবার রাতে সেন্টমার্টিনের অদূরে সন্দেহজনক দুইটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের ফিশিং বোট দেখতে পায়। ফিশিং বোট দুইটির গতিবিধি সন্দেহজনক পরিলক্ষিত হওয়া নৌবাহিনী জাহাজ ফিশিং বোট দু’টিকে আটক করে। আটককৃত বোট ‘এফবি মা নুর জাহান’ এবং ‘এফবি হোমাইয়ারা’য় তল্লাশি করে ১৪৫০ বস্তা সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। এ সময় সিমেন্ট পাচারকারী দলের ২২ জন সদস্যকেও আটক করা হয়।

আটকৃত ব্যক্তিরা জানায়, অধিক মুনাফা লাভের আশায় সিমেন্টগুলো মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। এছাড়াও, আটকৃত মাঝিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এফবি মা জননী-১, এফবি আশরাফুল ইসলাম সায়াদ এবং এফবি হাজি বসিরুল্লাহ নামক ৩টি ইঞ্জিনচালিত কাঠের বোট মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারের সাথে জড়িত রয়েছে। নৌবাহিনীর টহলরত জাহাজ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পাচারচক্রের সাথে জড়িত অপর ৩টি ফিশিং বোট এবং ৩০ জন সদস্যকে আটক করে। অভিযানশেষে উদ্ধারকৃত সিমেন্ট ও আটকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

দেশের সমুদ্র সীমানায় চোরাচালান, মানবপাচার, মাদক ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে সব ব্যয় অনুমোদিত, অনিয়মের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’

মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট-বোটসহ ৫২ জনকে আটক করলো নৌবাহিনী

আপডেট সময় ০৫:০০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

আইএনবি ডেস্ক: বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা, সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ এবং সমুদ্রে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন টহল ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে । এরই অংশ হিসেবে মিয়ানমারে পাচারকালে বঙ্গোপসাগরে ১৪৫০ বস্তা সিমেন্ট, ৫টি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ফিশিং বোট ও পাচারচক্রের ৫২ সদস্যকে আটক করেছে নৌবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে বঙ্গোপসাগরে টহলকালে পরিচালিত অভিযানে সিমেন্ট-বোটসহ পাচারচক্রের ৫২ সদস্যকে আটক করে নৌবাহিনী।

জানা গেছে, নৌবাহিনী জাহাজ টহলকার্যে নিয়োজিত থাকাকালীন বৃহস্পতিবার রাতে সেন্টমার্টিনের অদূরে সন্দেহজনক দুইটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের ফিশিং বোট দেখতে পায়। ফিশিং বোট দুইটির গতিবিধি সন্দেহজনক পরিলক্ষিত হওয়া নৌবাহিনী জাহাজ ফিশিং বোট দু’টিকে আটক করে। আটককৃত বোট ‘এফবি মা নুর জাহান’ এবং ‘এফবি হোমাইয়ারা’য় তল্লাশি করে ১৪৫০ বস্তা সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। এ সময় সিমেন্ট পাচারকারী দলের ২২ জন সদস্যকেও আটক করা হয়।

আটকৃত ব্যক্তিরা জানায়, অধিক মুনাফা লাভের আশায় সিমেন্টগুলো মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। এছাড়াও, আটকৃত মাঝিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এফবি মা জননী-১, এফবি আশরাফুল ইসলাম সায়াদ এবং এফবি হাজি বসিরুল্লাহ নামক ৩টি ইঞ্জিনচালিত কাঠের বোট মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারের সাথে জড়িত রয়েছে। নৌবাহিনীর টহলরত জাহাজ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পাচারচক্রের সাথে জড়িত অপর ৩টি ফিশিং বোট এবং ৩০ জন সদস্যকে আটক করে। অভিযানশেষে উদ্ধারকৃত সিমেন্ট ও আটকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

দেশের সমুদ্র সীমানায় চোরাচালান, মানবপাচার, মাদক ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট