/* */
Dhaka , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি চাল মজুদের অভিযোগে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের চাল অবৈধভাবে মজুদ রাখার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তার গুদাম থেকে ২৫ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) বিকেলে উপজেলার আসমা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাশেম মিয়া নামের এক ব্যবসায়ীকে এ দণ্ড দেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বারহাট্টা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম। তিনি জানান, খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্য প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩-এর ৬ ধারায় পরিচালিত আদালতে কাশেম মিয়াকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত কাশেম মিয়া উপজেলার গুমুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কাশেম মিয়ার কাছে সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের চাল ক্রয় ও অবৈধভাবে মজুদ রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং গুদামে সংরক্ষিত ২৫ বস্তা চাল জব্দ করা হয়।

তবে স্থানীয় সূত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, জব্দ করা চালের প্রকৃত মালিক বিএনপি নেতা খোকন মিয়া। তিনি উপজেলার আসমা গ্রামের মৃত জালাল মিয়ার ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, আদালত পরিচালনার সময় কাশেম মিয়া ভয়ে খোকন মিয়ার নাম উল্লেখ করেননি। পরে জরিমানার পর তিনি চালগুলো খোকন মিয়ার বলে দাবি করেন। তবে অভিযানের সময় খোকন মিয়াকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে খোকন মিয়ার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম বলেন, সরকারি খাদ্যশস্য অবৈধভাবে ক্রয়, বিক্রয় ও মজুদ রোধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :

সরকারি চাল মজুদের অভিযোগে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

আপডেটের সময় : ০৫:১২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের চাল অবৈধভাবে মজুদ রাখার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তার গুদাম থেকে ২৫ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) বিকেলে উপজেলার আসমা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাশেম মিয়া নামের এক ব্যবসায়ীকে এ দণ্ড দেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বারহাট্টা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম। তিনি জানান, খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্য প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩-এর ৬ ধারায় পরিচালিত আদালতে কাশেম মিয়াকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত কাশেম মিয়া উপজেলার গুমুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কাশেম মিয়ার কাছে সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের চাল ক্রয় ও অবৈধভাবে মজুদ রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং গুদামে সংরক্ষিত ২৫ বস্তা চাল জব্দ করা হয়।

তবে স্থানীয় সূত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, জব্দ করা চালের প্রকৃত মালিক বিএনপি নেতা খোকন মিয়া। তিনি উপজেলার আসমা গ্রামের মৃত জালাল মিয়ার ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, আদালত পরিচালনার সময় কাশেম মিয়া ভয়ে খোকন মিয়ার নাম উল্লেখ করেননি। পরে জরিমানার পর তিনি চালগুলো খোকন মিয়ার বলে দাবি করেন। তবে অভিযানের সময় খোকন মিয়াকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে খোকন মিয়ার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম বলেন, সরকারি খাদ্যশস্য অবৈধভাবে ক্রয়, বিক্রয় ও মজুদ রোধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট