/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই আন্দোলনে লুট হওয়া ২ হাজার ৩৩০টি অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি:আইজিপি

আইএনবি ডেস্ক: ‎‎বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানিয়েছেন, জুলাই আন্দোলনে লুট হওয়া ২ হাজার ৩৩০টি অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি । তিনি বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে লুট হওয়া পুলিশের ১ হাজার ৩৩০টি ও ব্যক্তিগত এক হাজার অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে’ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

‎‎জুলাই আন্দোলনের সময় লুট হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে বাহারুল আলম বলেন, ‘যেকোনো অস্ত্রই হুমকি। লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে এখনো পুলিশের ১ হাজার ৩৩০টি এবং ব্যক্তিগত এক হাজার অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। এর বাইরেও বিভিন্নভাবে অস্ত্র দেশে প্রবেশ করে। তবে এসব মোকাবিলা করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

‎‎রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে পুলিশ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করতে পারবে কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘আগামী ১৩ তারিখেই তা জানতে পারবেন।’

‎‎রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন ও পুলিশের সঙ্গে ঘটা বিভিন্ন ঘটনায় পুলিশ সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছে বলেও মনে করেন আইজিপি। এ সময় নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পুলিশের ওপর আস্থা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সংস্কারের বিষয়ে বাহারুল আলম বলেন, ‘আমরা ২০০৬-০৭ সাল থেকেই চাচ্ছিলাম পুলিশকে কাজের স্বাধীনতাটা দেওয়া হোক। পুলিশ অন্তত কাজ করার সময় যেন সরকার কিংবা রাজনৈতিক দলের কোনো নির্দেশনা না পায়, মামলা তদন্তসহ অন্যান্য কাজে। কিন্তু আমরা এখনো পাইনি। পুলিশ সংস্কার কমিশন যেটা হয়েছে, সেটাতেও এটা নেই এবং আমরা একটা বিষয় চেয়েছিলাম, রাজনৈতিক প্রভাবে কিন্তু পদোন্নতি, পদায়ন হয়। আমরা মৃদুভাবে বলেছি, এটা যদি পুলিশ কমিশনের মাধ্যমে দেওয়া হয় তাহলেও একটা বাড়তি সুবিধা দেবে। সেটাও আসলে এখনো আমরা পাইনি।’

আইজিপি আরও বলেন, ‘আমরা একটা জায়গায় এসে এই সরকারের কাছে বলেছিলাম, অন্তত পুলিশের শীর্ষ পদে নিয়োগটা কমিশনের কাছে ছেড়ে দেওয়া হোক। তারা তিনজনকে সুপারিশ করবে, তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার একজনকে নিয়োগ দেবে। সেটাও অধ্যাদেশে প্রতিফলিত হয়নি। বলা আছে, কমিশন তিনজনকে সুপারিশ করবে। কিন্তু সুপারিশ অনুসরণ বাধ্যতামূলক সেটা বলা হয়নি। পুলিশের ভেতর থেকে আমরা দাবি করে আসছি। কিন্তু ওই জায়গাটায় আমরা যেতে পারিনি। সবার ভেতরে থেকেই এই দাবিটা আসা উচিত।’

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করলো ভারত, দুই মাসে আসলো ৫০০ টন

জুলাই আন্দোলনে লুট হওয়া ২ হাজার ৩৩০টি অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি:আইজিপি

আপডেটের সময় : ০৪:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আইএনবি ডেস্ক: ‎‎বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানিয়েছেন, জুলাই আন্দোলনে লুট হওয়া ২ হাজার ৩৩০টি অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি । তিনি বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে লুট হওয়া পুলিশের ১ হাজার ৩৩০টি ও ব্যক্তিগত এক হাজার অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে’ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

‎‎জুলাই আন্দোলনের সময় লুট হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে বাহারুল আলম বলেন, ‘যেকোনো অস্ত্রই হুমকি। লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে এখনো পুলিশের ১ হাজার ৩৩০টি এবং ব্যক্তিগত এক হাজার অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। এর বাইরেও বিভিন্নভাবে অস্ত্র দেশে প্রবেশ করে। তবে এসব মোকাবিলা করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

‎‎রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে পুলিশ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করতে পারবে কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘আগামী ১৩ তারিখেই তা জানতে পারবেন।’

‎‎রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন ও পুলিশের সঙ্গে ঘটা বিভিন্ন ঘটনায় পুলিশ সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছে বলেও মনে করেন আইজিপি। এ সময় নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পুলিশের ওপর আস্থা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সংস্কারের বিষয়ে বাহারুল আলম বলেন, ‘আমরা ২০০৬-০৭ সাল থেকেই চাচ্ছিলাম পুলিশকে কাজের স্বাধীনতাটা দেওয়া হোক। পুলিশ অন্তত কাজ করার সময় যেন সরকার কিংবা রাজনৈতিক দলের কোনো নির্দেশনা না পায়, মামলা তদন্তসহ অন্যান্য কাজে। কিন্তু আমরা এখনো পাইনি। পুলিশ সংস্কার কমিশন যেটা হয়েছে, সেটাতেও এটা নেই এবং আমরা একটা বিষয় চেয়েছিলাম, রাজনৈতিক প্রভাবে কিন্তু পদোন্নতি, পদায়ন হয়। আমরা মৃদুভাবে বলেছি, এটা যদি পুলিশ কমিশনের মাধ্যমে দেওয়া হয় তাহলেও একটা বাড়তি সুবিধা দেবে। সেটাও আসলে এখনো আমরা পাইনি।’

আইজিপি আরও বলেন, ‘আমরা একটা জায়গায় এসে এই সরকারের কাছে বলেছিলাম, অন্তত পুলিশের শীর্ষ পদে নিয়োগটা কমিশনের কাছে ছেড়ে দেওয়া হোক। তারা তিনজনকে সুপারিশ করবে, তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার একজনকে নিয়োগ দেবে। সেটাও অধ্যাদেশে প্রতিফলিত হয়নি। বলা আছে, কমিশন তিনজনকে সুপারিশ করবে। কিন্তু সুপারিশ অনুসরণ বাধ্যতামূলক সেটা বলা হয়নি। পুলিশের ভেতর থেকে আমরা দাবি করে আসছি। কিন্তু ওই জায়গাটায় আমরা যেতে পারিনি। সবার ভেতরে থেকেই এই দাবিটা আসা উচিত।’

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট