/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন

আইএনবি নিউজ: সবচেয়ে বড় রেল সেতুর নির্মাণকাজ হতে যাচ্ছে যমুনা নদীর ওপর।

রবিবার সকালে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন সম্মেলনকক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা। পরে ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বক্তব্য রাখেন। সবশেষে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণের ফলে মানুষের অনেক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। টাঙ্গাইলে কোনো রেললাইন ছিল না। আমরাই প্রথম টাঙ্গাইলে রেল লাইন দেই। পণ্য পরিবহনে রেল বিশেষ ভূমিকা রাখছে৷

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মদ জানান, ডাবল ডুয়াল গেজ রেল সেতুটি হওয়ার পর ক্রসিং ছাড়াই দুটি ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার আব্দুল মান্নান জানান, বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন ১৬ জোড়া রেল পারাপার হয়। বঙ্গবন্ধু সেতুতে সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে রেল। এছাড়া সিগন্যালের জন্য অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘ সময়। রেলসেতু নির্মাণ করা হলে কোনো ট্রেনেই কোনো প্রকার সিডিউল বিপর্যয় ঘটবে না। অল্প সময়ের মধ্যেই সেতু পারাপার হওয়া যাবে। একটি ট্রেন আরেকটি ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবে না।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বয়কট করল সিলেট বিএনপি

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন

আপডেটের সময় : ০৭:২০:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

আইএনবি নিউজ: সবচেয়ে বড় রেল সেতুর নির্মাণকাজ হতে যাচ্ছে যমুনা নদীর ওপর।

রবিবার সকালে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন সম্মেলনকক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা। পরে ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বক্তব্য রাখেন। সবশেষে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণের ফলে মানুষের অনেক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। টাঙ্গাইলে কোনো রেললাইন ছিল না। আমরাই প্রথম টাঙ্গাইলে রেল লাইন দেই। পণ্য পরিবহনে রেল বিশেষ ভূমিকা রাখছে৷

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মদ জানান, ডাবল ডুয়াল গেজ রেল সেতুটি হওয়ার পর ক্রসিং ছাড়াই দুটি ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার আব্দুল মান্নান জানান, বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন ১৬ জোড়া রেল পারাপার হয়। বঙ্গবন্ধু সেতুতে সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে রেল। এছাড়া সিগন্যালের জন্য অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘ সময়। রেলসেতু নির্মাণ করা হলে কোনো ট্রেনেই কোনো প্রকার সিডিউল বিপর্যয় ঘটবে না। অল্প সময়ের মধ্যেই সেতু পারাপার হওয়া যাবে। একটি ট্রেন আরেকটি ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবে না।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট