ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: ইমাম বললেন, শয়তানের ধোঁকায় পড়ে এটা করেছি

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের জাজিরায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষক আবুল বাসারকে (৬০) আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে নিজের মাদ্রাসার এক ৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। বিষয়টি জানতে পেরে আশপাশের লোকজন তাকে আটক করে রাখেন এবং পরে জাজিরা থানা পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়।

ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ, মহিলা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন তার মেয়ে। সেই হিসেবে বিকেলে তার কাছে যেতে বলেন অভিযুক্ত আবুল বাসার। পরে তিনি সেই মাদ্রাসার একটি কক্ষে ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন আশপাশের লোক বিষয়টি জানতে পেরে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। সেখান থেকে জাজিরা থানা পুলিশ তাকে আটক করেন। শিশুটির মা তার সর্বোচ্চ বিচারের দাবি করেন।

স্থানীয় একজন বলেন, ‘এই আবুল বাসার আমাদের এলাকার ইমাম ও একটি মাদ্রাসার শিক্ষক, তার মতো লোক এমন নিকৃষ্ট কাজ করেন তা আমাদের মাথায় আসে না। আমরা যততটু জানি সে জামায়াত ইসলামের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছেন। আমরা তার সর্বোচ্চ বিচার চাই।’

জাজিরা উপজেলার জামায়াতের সূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আবুল বাসার জামায়াতের কোনো নেতা নয়। তিনি আমাদের দলের সমর্থক। তিনি যদি অপরাধী হয়ে থাকে তার সর্বোচ্চ বিচার হোক সেটাই আমি চাই।’

এদিকে অভিযুক্ত আবুল বাসারের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায় ‘হয়তো শয়তানের ধোঁকায় পড়ে’ আমি এটা করেছি। তাকে আরও বলতে শোনা যায় সে জামায়াত ইসলাম করেন।’

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মদ জানান, অভিযুক্তকে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়েছে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: ইমাম বললেন, শয়তানের ধোঁকায় পড়ে এটা করেছি

আপডেট সময় ০৪:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের জাজিরায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষক আবুল বাসারকে (৬০) আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে নিজের মাদ্রাসার এক ৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। বিষয়টি জানতে পেরে আশপাশের লোকজন তাকে আটক করে রাখেন এবং পরে জাজিরা থানা পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়।

ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ, মহিলা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন তার মেয়ে। সেই হিসেবে বিকেলে তার কাছে যেতে বলেন অভিযুক্ত আবুল বাসার। পরে তিনি সেই মাদ্রাসার একটি কক্ষে ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন আশপাশের লোক বিষয়টি জানতে পেরে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। সেখান থেকে জাজিরা থানা পুলিশ তাকে আটক করেন। শিশুটির মা তার সর্বোচ্চ বিচারের দাবি করেন।

স্থানীয় একজন বলেন, ‘এই আবুল বাসার আমাদের এলাকার ইমাম ও একটি মাদ্রাসার শিক্ষক, তার মতো লোক এমন নিকৃষ্ট কাজ করেন তা আমাদের মাথায় আসে না। আমরা যততটু জানি সে জামায়াত ইসলামের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছেন। আমরা তার সর্বোচ্চ বিচার চাই।’

জাজিরা উপজেলার জামায়াতের সূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আবুল বাসার জামায়াতের কোনো নেতা নয়। তিনি আমাদের দলের সমর্থক। তিনি যদি অপরাধী হয়ে থাকে তার সর্বোচ্চ বিচার হোক সেটাই আমি চাই।’

এদিকে অভিযুক্ত আবুল বাসারের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায় ‘হয়তো শয়তানের ধোঁকায় পড়ে’ আমি এটা করেছি। তাকে আরও বলতে শোনা যায় সে জামায়াত ইসলাম করেন।’

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মদ জানান, অভিযুক্তকে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়েছে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট