/* */
Dhaka , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে নিরস্ত্র ১৩ সেনাকে গুলি করে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে কার্যকর করার এবং তা সরাসরি সম্প্রচারের (লাইভস্ট্রিম) ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। আগামী ৩ ডিসেম্বর এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন নির্ধারিত হয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম কোনো সামরিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর। পাশাপাশি, প্রতিরক্ষা বিভাগের এই সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্তকে আধুনিক যুগে ‘নজিরবিহীন’ ও ‘মধ্যযুগীয় বর্বরতার শামিল’ বলে অভিহিত করেছেন মানবাধিকারকর্মী ও আইন বিশেষজ্ঞরা। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দেশগুলোর অন্যতম হলেও গত বছর বিশ্বজুড়ে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল মাত্র দুটি দেশে (ইরান ও আফগানিস্তান)।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই সুপারিশ অনুমোদন করলেও আইনি প্রক্রিয়া ও আপিল পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় এই মৃত্যুদণ্ড নির্ধারিত সময়ে কার্যকর হওয়া নিয়ে যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে। এছাড়া ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও টিকটকের মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে মৃত্যুর দৃশ্য বা লাইভস্ট্রিম সরাসরি নিষিদ্ধ থাকায় এই সম্প্রচার কোথায় এবং কীভাবে দেখানো হবে, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন ও প্রযুক্তিগত জটিলতা দেখা দিয়েছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বিশ্বব্যাংক প্রস্তুত: অর্থমন্ত্রী

মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেটের সময় : ০৬:৩৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে নিরস্ত্র ১৩ সেনাকে গুলি করে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে কার্যকর করার এবং তা সরাসরি সম্প্রচারের (লাইভস্ট্রিম) ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। আগামী ৩ ডিসেম্বর এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন নির্ধারিত হয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম কোনো সামরিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর। পাশাপাশি, প্রতিরক্ষা বিভাগের এই সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্তকে আধুনিক যুগে ‘নজিরবিহীন’ ও ‘মধ্যযুগীয় বর্বরতার শামিল’ বলে অভিহিত করেছেন মানবাধিকারকর্মী ও আইন বিশেষজ্ঞরা। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দেশগুলোর অন্যতম হলেও গত বছর বিশ্বজুড়ে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল মাত্র দুটি দেশে (ইরান ও আফগানিস্তান)।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই সুপারিশ অনুমোদন করলেও আইনি প্রক্রিয়া ও আপিল পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় এই মৃত্যুদণ্ড নির্ধারিত সময়ে কার্যকর হওয়া নিয়ে যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে। এছাড়া ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও টিকটকের মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে মৃত্যুর দৃশ্য বা লাইভস্ট্রিম সরাসরি নিষিদ্ধ থাকায় এই সম্প্রচার কোথায় এবং কীভাবে দেখানো হবে, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন ও প্রযুক্তিগত জটিলতা দেখা দিয়েছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট