ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেসবুককে ‘গণতন্ত্রের বিপদ’ বললেন নোবেলজয়ী সাংবাদিক

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:

শান্তিতে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দিমিত্রি মুরাতভ এবং মারিয়া রেসা। এই দুজনেই পেশায় সাংবাদিক। নোবেল জয়ের পরেই ফেসবুক নিয়ে মন্তব্য করে হইচই ফেলে দিলেন মারিয়া। জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইট ফেসবুককে ‘গণতন্ত্রের বিপদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। তার সপক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন।

মারিয়া রেসা বলছেন, গুজব এবং ভুয়া খবরকে প্রাধান্য দেয় ফেইসবুক। সংস্থাটির অ্যালগোরিদম কুরুচিকর, ঘৃণ্য এবং ভুয়া খবরকেই বারবার সামনে আনে। কিন্তু এ অভিযোগ অস্বীকার করছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। এর আগেও ফেসবুকের বিরুদ্ধে, ঘৃণা, ক্রোধ এবং ভয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ এসেছে বার বার। সে সময়েও অস্বীকার করে তারা।

এবার স্বয়ং নোবেলজয়ী একই অভিযোগ করায় বিষয়টার গুরুত্বই আলাদা। তাতেও অবশ্য মচকাচ্ছে না ফেসবুক।

রেসা বলেছেন, ‘ফেসবুক গণতন্ত্রের জন্য বিপদ। বিশ্বের বৃহত্তম সোশ্যাল মিডিয়া ঘৃণা, ভুয়া খবর ছড়ানো বন্ধ করতে ব্যর্থ। অনেকক্ষেত্রেই নিরপেক্ষতা দেখায়নি সংস্থাটি। ঘৃণা এবং মিথ্যে তথ্য দেখানোর ওপরেই জোর দেয়া তারা।’

নোবেলজয়ীর অভিযোগ মেনে নিচ্ছে না ফেসবুক। তারা জানিয়েছে, মিথ্যে এবং বিদ্বেষমূলক খবর মুছে দেওয়ার চেষ্টা তারা সারাক্ষণই করে চলেছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুককে ‘গণতন্ত্রের বিপদ’ বললেন নোবেলজয়ী সাংবাদিক

আপডেট সময় ০৯:২১:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:

শান্তিতে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দিমিত্রি মুরাতভ এবং মারিয়া রেসা। এই দুজনেই পেশায় সাংবাদিক। নোবেল জয়ের পরেই ফেসবুক নিয়ে মন্তব্য করে হইচই ফেলে দিলেন মারিয়া। জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইট ফেসবুককে ‘গণতন্ত্রের বিপদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। তার সপক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন।

মারিয়া রেসা বলছেন, গুজব এবং ভুয়া খবরকে প্রাধান্য দেয় ফেইসবুক। সংস্থাটির অ্যালগোরিদম কুরুচিকর, ঘৃণ্য এবং ভুয়া খবরকেই বারবার সামনে আনে। কিন্তু এ অভিযোগ অস্বীকার করছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। এর আগেও ফেসবুকের বিরুদ্ধে, ঘৃণা, ক্রোধ এবং ভয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ এসেছে বার বার। সে সময়েও অস্বীকার করে তারা।

এবার স্বয়ং নোবেলজয়ী একই অভিযোগ করায় বিষয়টার গুরুত্বই আলাদা। তাতেও অবশ্য মচকাচ্ছে না ফেসবুক।

রেসা বলেছেন, ‘ফেসবুক গণতন্ত্রের জন্য বিপদ। বিশ্বের বৃহত্তম সোশ্যাল মিডিয়া ঘৃণা, ভুয়া খবর ছড়ানো বন্ধ করতে ব্যর্থ। অনেকক্ষেত্রেই নিরপেক্ষতা দেখায়নি সংস্থাটি। ঘৃণা এবং মিথ্যে তথ্য দেখানোর ওপরেই জোর দেয়া তারা।’

নোবেলজয়ীর অভিযোগ মেনে নিচ্ছে না ফেসবুক। তারা জানিয়েছে, মিথ্যে এবং বিদ্বেষমূলক খবর মুছে দেওয়ার চেষ্টা তারা সারাক্ষণই করে চলেছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট