/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সব নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণদানের আশা প্রকাশ আসিফ মাহমুদের

আইএনবি ডেস্ক: পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন— বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পেলে দেশের সব নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে এসে গণপ্রতিরক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। ভৌগোলিক বাস্তবতার কারণে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এ ধরণের ব্যবস্থা অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন।

gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
রোববার (২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা জানান।

পোস্টে তিনি বলেন, “আমাদের তরুণদের মৌলিক সামরিক শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়লে যাদের ক্ষতি, যারা আমাদের গোলামির শিকল পরিয়ে রাখতে চাইবে, তারা আর সুযোগ পাবে না। সিস্টেমের ভেতরে থাকা কিছু এজেন্টদের মাধ্যমে আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ প্রকল্পে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রকল্প অনুমোদনে আট থেকে নয় মাস+ সময় লেগেছে। এখন যখন বাস্তবায়নের পথে, তখন তৎপর পত্রিকাগুলো ন্যারেটিভ নির্মাণ শুরু করেছে।”

তিনি জানান, “আমাদের বিএনসিসির ক্যাডেটরা বাৎসরিক ক্যাম্পে অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ পান। আমি নিজেও তা পেয়েছি। ভবিষ্যতে এই প্রশিক্ষণ আরও উন্নত ও বড় পরিসরে করা প্রয়োজন।”

শেষে তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেন, “কখনো বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পেলে ইনশাআল্লাহ সব নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। আমাদের ভৌগোলিক বাস্তবতায় সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে গণপ্রতিরক্ষার ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।”

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

সব নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণদানের আশা প্রকাশ আসিফ মাহমুদের

আপডেটের সময় : ০৪:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

আইএনবি ডেস্ক: পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন— বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পেলে দেশের সব নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে এসে গণপ্রতিরক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। ভৌগোলিক বাস্তবতার কারণে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এ ধরণের ব্যবস্থা অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন।

gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
রোববার (২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা জানান।

পোস্টে তিনি বলেন, “আমাদের তরুণদের মৌলিক সামরিক শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়লে যাদের ক্ষতি, যারা আমাদের গোলামির শিকল পরিয়ে রাখতে চাইবে, তারা আর সুযোগ পাবে না। সিস্টেমের ভেতরে থাকা কিছু এজেন্টদের মাধ্যমে আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ প্রকল্পে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রকল্প অনুমোদনে আট থেকে নয় মাস+ সময় লেগেছে। এখন যখন বাস্তবায়নের পথে, তখন তৎপর পত্রিকাগুলো ন্যারেটিভ নির্মাণ শুরু করেছে।”

তিনি জানান, “আমাদের বিএনসিসির ক্যাডেটরা বাৎসরিক ক্যাম্পে অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ পান। আমি নিজেও তা পেয়েছি। ভবিষ্যতে এই প্রশিক্ষণ আরও উন্নত ও বড় পরিসরে করা প্রয়োজন।”

শেষে তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেন, “কখনো বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পেলে ইনশাআল্লাহ সব নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। আমাদের ভৌগোলিক বাস্তবতায় সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে গণপ্রতিরক্ষার ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।”

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট