আইএনবি ডেস্ক: রাজধানীর বাজারে শাক-সবজি, চাল, মাছ ও মাংসের বাড়তি দাম সাধারণ মানুষের সহনীয়তার বাইরে চলে গেছে। গত দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে রাজধানীর অধিকাংশ বাজারে এসব নিত্যপণ্য চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর মিরপুর-২, ১৩ ও ১৪ নম্বর এলাকার বাজার পরিদর্শনের পাশাপাশি মোহাম্মদপুর ও ফার্মগেট এলাকার বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এই চিত্র পাওয়া গেছে।
বাজারে সব ধরনের সবজির দাম চড়া রয়েছে। লাউ ধরনভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, প্রতি কেজি পটল ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, চালকুমড়া ৫০ টাকা এবং আকারভেদে বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি শসা ৮০ টাকা, হাইব্রিড শসা ৫০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৮০ টাকা, কচুর মুখি ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, বরবটি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ক্যাপসিকাম ৩০০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, ছোট আকারের ফুলকপি ১০০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি লাল শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, কলমি শাক ১৫ টাকা, পুঁই শাক ৩০ টাকা, লাউ শাক ৩০ টাকা ও পালং শাক ৩০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাংস ও মাছের বাজারেও স্বস্তি ফেরেনি। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগির বাজারে ব্রায়লার প্রতি কেজি ২০০ টাকা, লেয়ার ৩৬০ টাকা এবং সোনালী কক মুরগি ৩৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা, মাঝারি আকারের ইলিশ ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ছোট ইলিশ ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রুই ও কাতল ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা, গ্রাস কার্প ৩০০ টাকা, সিলভার কার্প ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙ্গাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা এবং চিংড়ি ৯০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মসলা ও চালের বাজারে দেখা গেছে, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, আদা ১৮০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের মধ্যে মিনিকেট ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, আটাশ ৫৫ টাকা, পাইজাম ৬০ টাকা এবং মোটা চাল ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে দাম বাড়ার ঘোষণায় খুচরা বাজার থেকে সয়াবিন তেল অনেকটাই কমে গেছে। অনেক দোকানে তেল না পাওয়া গেলেও কিছু জায়গায় আগের মতোই ২০০ টাকা লিটার দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পাম অয়েল প্রতি লিটার ১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারের এমন পরিস্থিতিতে মিরপুর-১৩ নম্বর বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আদিল আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একবার যে পণ্যের দাম বাড়ে, তা আর কমে না। অন্যদিকে সবজি বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, খুচরা বাজারের দাম নির্ভর করে পাইকারি আড়তের ওপর। তাছাড়া পরিবহন খরচ, অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় এবং কিছু পণ্য নষ্ট হওয়ার হিসাব রেখে তাদের ব্যবসা করতে হয়।
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রিন্ট

বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত বৃদ্ধার মৃত্যু 






















