আইএনবি ডেস্ক: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে তরুণদের স্বপ্ন ও বিশ্বাসভঙ্গের শামিল আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি (এনসিপি)-র মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ২৪২টি পদের বিপরীতে তিন লাখেরও বেশি চাকরিপ্রার্থীর এই নিয়োগ পরীক্ষায় খোদ সরকারি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে যে বিপুল অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, তা প্রশাসনিক চরম ব্যর্থতাকেই উন্মোচিত করে এবং এর দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।
সংবাদমাধ্যমের বরাতে আসিফ মাহমুদ জানান, রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহের জন্য প্রার্থীপ্রতি গড়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকার চুক্তি করা হয়। পরীক্ষার আগের রাতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাকা আসা পরীক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে এনে রাতভর প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানোর চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এ ঘটনায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরীক্ষা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তাসহ পুরো একটি সিন্ডিকেট জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাতভর এমন অপকর্ম চললেও গোয়েন্দা সংস্থা বা প্রশাসন ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে দেশের মানুষ বিষয়টি জানতে পারে, যা সরকারের উচ্চপর্যায়ের সম্পৃক্ততা কিংবা গোয়েন্দা নজরদারিতে মারাত্মক ঘাটতির প্রমাণ দেয়।
এনসিপির পক্ষ থেকে অবিলম্বে এই ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শুধুমাত্র পরীক্ষা স্থগিত বা বাতিল করাই শেষ সমাধান নয় উল্লেখ করে তিনি পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ফি ছাড়াই দ্রুত নতুন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পরীক্ষা গ্রহণের রূপরেখা প্রকাশের আহ্বান জানান। তরুণদের জন্য এক কোটি কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার করে ক্ষমতায় আসা সরকার মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের সঠিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে সেই প্রতিশ্রুতির কোনো ভিত্তি থাকে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রিন্ট

বাংলাদেশে নতুন জঙ্গি দল, সতর্ক সরকার 






















