ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিবারের ৬ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) এক জার্মান যুবক দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর রট আম সিতে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪৫মিনিটে নিজের বাবা-মাসহ পরিবারের মোট ছয় সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে ।

জার্মান পুলিশের বরাতে এ খবর নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

২৬ বছর বয়সী সন্দেহভাজন ওই যুবক লাঞ্চের সময় পুলিশের জরুরি পরিষেবায় ফোন করে বলেন, তিনি একটি রেস্তোরাঁয় বেশ কয়েকজনকে গুলি করেছেন। গুলি করার পর আত্মসমর্পণ করতে তিনি রেস্তোরাঁটির বাইরে পুলিশের জন্য অপেক্ষা করছিল।

পুলিশ এসে রেস্তোরাঁর ভেতরে তিনজন পুরুষ ও তিনজন মহিলার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতদের বয়স ৩৬ থেকে ৬৯ বছরের মধ্যে ছিল বলে জানিয়েছে রাজ্যে পুলিশ কর্মকর্তা বাডেন-ওয়ার্টেমবার্গ। গুলিবিদ্ধ দুইজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি তার পরিবারের দুই কিশোর সদস্যকে হুমকিও দিয়েছিল। তবে তাদের কোনো ক্ষতি করেনি।

ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে মূল রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। গোলাগুলিতে অন্য কারও জড়িত থাকার প্রমাণ নেই বলে জানায় পুলিশ।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারতে যাবেন না তারেক রহমান

পরিবারের ৬ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ০৩:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) এক জার্মান যুবক দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর রট আম সিতে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪৫মিনিটে নিজের বাবা-মাসহ পরিবারের মোট ছয় সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে ।

জার্মান পুলিশের বরাতে এ খবর নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

২৬ বছর বয়সী সন্দেহভাজন ওই যুবক লাঞ্চের সময় পুলিশের জরুরি পরিষেবায় ফোন করে বলেন, তিনি একটি রেস্তোরাঁয় বেশ কয়েকজনকে গুলি করেছেন। গুলি করার পর আত্মসমর্পণ করতে তিনি রেস্তোরাঁটির বাইরে পুলিশের জন্য অপেক্ষা করছিল।

পুলিশ এসে রেস্তোরাঁর ভেতরে তিনজন পুরুষ ও তিনজন মহিলার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতদের বয়স ৩৬ থেকে ৬৯ বছরের মধ্যে ছিল বলে জানিয়েছে রাজ্যে পুলিশ কর্মকর্তা বাডেন-ওয়ার্টেমবার্গ। গুলিবিদ্ধ দুইজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি তার পরিবারের দুই কিশোর সদস্যকে হুমকিও দিয়েছিল। তবে তাদের কোনো ক্ষতি করেনি।

ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে মূল রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। গোলাগুলিতে অন্য কারও জড়িত থাকার প্রমাণ নেই বলে জানায় পুলিশ।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট