ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজা পুনর্গঠনে সময় লাগবে ৪০ বছর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলের ১৫ মাসের যুদ্ধের পর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজার বাড়িঘর ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে ৪০ বছর সময় লাগতে পারে। সেই সঙ্গে এসব পুনর্নির্মাণে ৮০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় হতে পারে।

আরব নিউজের প্রতিবেদন বলছে, এই যুদ্ধ গাজাকে ‘ভবনের কালো খোলস’ এবং ‘ধ্বংসাবশেষের ঢিবির’ একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। বড় বড় রাস্তা উপড়ে গেছে। গুরুত্বপূর্ণ পানি ও বিদ্যুতের অবকাঠামো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বেশিরভাগ হাসপাতাল এখন অকেজো।

তবে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ পরিমাণ কেবল তখনই জানা যাবে, যখন রোববার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে এবং পরিদর্শকরা সেখানে ঢুকে সার্ভে করতে পাববেন।

স্যাটেলাইট তথ্য ব্যবহার করে জাতিসংঘ অনুমান করেছে, গাজার ৭০ শতাংশ কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজারেরও বেশি বাড়িঘর।

কিছু পুনর্নির্মাণ করার আগে, ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করতে হবে। যুদ্ধে গাজায় পাঁচ কোটি টনেরও বেশি ধ্বংসস্তূপ ছড়িয়ে পড়েছে। শতাধিক ট্রাক সার্বক্ষণিক কাজ করলে এটি পরিষ্কার করতে ১৫ বছর সময় লাগবে।

নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের নেতৃত্বে ত্রাণ সরবরাহকারীদের একটি আন্তর্জাতিক জোট শেল্টার ক্লাস্টার জানিয়েছে, গাজায় সহায়তার প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত। সেখানে ৮০ শতাংশেরও বেশি স্বাস্থ্য সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারতে যাবেন না তারেক রহমান

ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজা পুনর্গঠনে সময় লাগবে ৪০ বছর

আপডেট সময় ১২:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলের ১৫ মাসের যুদ্ধের পর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজার বাড়িঘর ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে ৪০ বছর সময় লাগতে পারে। সেই সঙ্গে এসব পুনর্নির্মাণে ৮০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় হতে পারে।

আরব নিউজের প্রতিবেদন বলছে, এই যুদ্ধ গাজাকে ‘ভবনের কালো খোলস’ এবং ‘ধ্বংসাবশেষের ঢিবির’ একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। বড় বড় রাস্তা উপড়ে গেছে। গুরুত্বপূর্ণ পানি ও বিদ্যুতের অবকাঠামো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বেশিরভাগ হাসপাতাল এখন অকেজো।

তবে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ পরিমাণ কেবল তখনই জানা যাবে, যখন রোববার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে এবং পরিদর্শকরা সেখানে ঢুকে সার্ভে করতে পাববেন।

স্যাটেলাইট তথ্য ব্যবহার করে জাতিসংঘ অনুমান করেছে, গাজার ৭০ শতাংশ কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজারেরও বেশি বাড়িঘর।

কিছু পুনর্নির্মাণ করার আগে, ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করতে হবে। যুদ্ধে গাজায় পাঁচ কোটি টনেরও বেশি ধ্বংসস্তূপ ছড়িয়ে পড়েছে। শতাধিক ট্রাক সার্বক্ষণিক কাজ করলে এটি পরিষ্কার করতে ১৫ বছর সময় লাগবে।

নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের নেতৃত্বে ত্রাণ সরবরাহকারীদের একটি আন্তর্জাতিক জোট শেল্টার ক্লাস্টার জানিয়েছে, গাজায় সহায়তার প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত। সেখানে ৮০ শতাংশেরও বেশি স্বাস্থ্য সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট