ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার Logo রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে বঙ্গভবন ঘিরে কৌতূহল Logo ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে কথা না বলায় ক্যাটরিনার ফ্যান পেজ বন্ধ Logo জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা Logo মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ আটক Logo হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু Logo সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের ফ্ল্যাটে মিলেছে ৩০০ কোট, ৫৩২ টাই ও ১০০ কামিজ Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার Logo দেশের গণপরিবহন আধুনিকায়নে ১ হাজার ৪০০ বৈদ্যুতিক বাস চালুর পরিকল্পনা

চট্টগ্রামসহ ৪ জেলায় ফের বন্যার শঙ্কা

আইএনবি ডেস্ক:দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিম্নচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে কয়েকটি নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এতে দেশের নিম্নাঞ্চল বিশেষ করে ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রামে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি নদীতে আগামী তিন দিনের মধ্যে পানি সতর্কসীমা অতিক্রম করতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, হালদা, গোমতী, ফেনী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী দুই দিন পর্যন্ত এসব নদীর অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী এবং তৃতীয় দিনে মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আগামী তিন দিন পর্যন্ত এসব নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। ফেনী জেলার মুহুরী নদী আগামী দুই দিনের মধ্যে সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে।

‘টানা বৃষ্টি, নদীর পানি বৃদ্ধি এবং নিম্নচাপজনিত জলোচ্ছ্বাসের কারণে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় সাময়িক বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা রয়েছে।’

এদিকে সিলেট বিভাগের কংস নদীর পানি বাড়ছে, যাদুকাটা নদীর পানি স্থিতিশীল আছে এবং সারিগোয়াইন ও সোমেশ্বরী নদীর পানি কিছুটা কমলেও বিপৎসীমার নিচেই রয়েছে। এ অববাহিকায় আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে ভারী এবং তৃতীয় দিনে মাঝারি-ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট জেলার সারিগোয়াইন, সুনামগঞ্জের যাদুকাটা ও নেত্রকোনার সোমেশ্বরী নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানিও বাড়ছে এবং আগামী তিন দিন পর্যন্ত তা বৃদ্ধি পেতে পারে, যদিও বিপৎসীমার নিচেই থাকবে।

তিস্তা নদীর পানি বর্তমানে কমছে। আগামী দুই দিন তা স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং তৃতীয় দিনে বাড়লেও বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হবে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি হ্রাস পাচ্ছে এবং তা দুই দিন স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী তিন দিনে বাড়তে পারে, তবে বিপৎসীমার নিচেই থাকবে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানিও হ্রাস পাচ্ছে এবং আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত তা স্থিতিশীল থেকে বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপ বর্তমানে ভারতের স্থলভাগে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি এবং নদীর তীরবর্তী এলাকায় এক থেকে তিন ফুট বেশি জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা রয়েছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে সব ব্যয় অনুমোদিত, অনিয়মের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’

চট্টগ্রামসহ ৪ জেলায় ফের বন্যার শঙ্কা

আপডেট সময় ০৬:০৯:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

আইএনবি ডেস্ক:দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিম্নচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে কয়েকটি নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এতে দেশের নিম্নাঞ্চল বিশেষ করে ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রামে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি নদীতে আগামী তিন দিনের মধ্যে পানি সতর্কসীমা অতিক্রম করতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, হালদা, গোমতী, ফেনী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী দুই দিন পর্যন্ত এসব নদীর অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী এবং তৃতীয় দিনে মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আগামী তিন দিন পর্যন্ত এসব নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। ফেনী জেলার মুহুরী নদী আগামী দুই দিনের মধ্যে সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে।

‘টানা বৃষ্টি, নদীর পানি বৃদ্ধি এবং নিম্নচাপজনিত জলোচ্ছ্বাসের কারণে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় সাময়িক বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা রয়েছে।’

এদিকে সিলেট বিভাগের কংস নদীর পানি বাড়ছে, যাদুকাটা নদীর পানি স্থিতিশীল আছে এবং সারিগোয়াইন ও সোমেশ্বরী নদীর পানি কিছুটা কমলেও বিপৎসীমার নিচেই রয়েছে। এ অববাহিকায় আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে ভারী এবং তৃতীয় দিনে মাঝারি-ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট জেলার সারিগোয়াইন, সুনামগঞ্জের যাদুকাটা ও নেত্রকোনার সোমেশ্বরী নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানিও বাড়ছে এবং আগামী তিন দিন পর্যন্ত তা বৃদ্ধি পেতে পারে, যদিও বিপৎসীমার নিচেই থাকবে।

তিস্তা নদীর পানি বর্তমানে কমছে। আগামী দুই দিন তা স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং তৃতীয় দিনে বাড়লেও বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হবে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি হ্রাস পাচ্ছে এবং তা দুই দিন স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী তিন দিনে বাড়তে পারে, তবে বিপৎসীমার নিচেই থাকবে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানিও হ্রাস পাচ্ছে এবং আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত তা স্থিতিশীল থেকে বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপ বর্তমানে ভারতের স্থলভাগে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি এবং নদীর তীরবর্তী এলাকায় এক থেকে তিন ফুট বেশি জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা রয়েছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট