ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানের তুষারপাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:গত কয়েকদিনে পাকিস্তানে ভয়াবহ তুষারপাতে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪ এ। আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন অন্তত আরও ৯৬ জন।

চলতি মাসের গত কয়েকদিন ধরেই দেশটিতে এমন তুষারপাত হচ্ছে। তবে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে সবচেয়ে বেশি দুর্যোগ কবলিত এলাকা হিসেবে জম্মু-কাশ্মীর এবং বেলুচিস্তানকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, আজাদ জম্মু-কাশ্মীরে হিমবাহ ধসে এই পর্যন্ত ৭৭ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ৫৬ জন। বেলুচিস্তানে আহত হয়েছে ২৩ জন। এছাড়া, খাইবার-পাখতুনখোয়া এবং গিলগিট-বালতিস্তানে মারা গেছে পাঁচজন।

তুষার কবলিত অসহায় মানুষদের ইতিমধ্যেই কম্বল, তাবু, রেশন, প্লাস্টিকের পাটি, সোলার লাইট, রান্নার সামগ্রী, স্লিপিং ব্যাগ, জুতা, কাপড়-চোপড়, শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক বক্স এবং পানির বোতল দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগে আটকে পড়াদের উদ্ধারে বিভিন্ন সংস্থার উদ্ধারকর্মীরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধার কাজ পর্যবেক্ষণের জন্য আজাদ জম্মু-কাশ্মীর সফর করেন।

চলমান এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত দেশটিতে অন্তত ২৩৬টি বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এরমধ্যে আজাদ জম্মু-কাশ্মীরে ধ্বংস হয়েছে অন্তত ২০০ বাড়ি। খাইবার পাখতুনখোয়া এবং গিলগিট-বালতিস্তানে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩১টি ঘরবাড়ি।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারতে যাবেন না তারেক রহমান

পাকিস্তানের তুষারপাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০৪

আপডেট সময় ০৮:৫১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:গত কয়েকদিনে পাকিস্তানে ভয়াবহ তুষারপাতে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪ এ। আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন অন্তত আরও ৯৬ জন।

চলতি মাসের গত কয়েকদিন ধরেই দেশটিতে এমন তুষারপাত হচ্ছে। তবে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে সবচেয়ে বেশি দুর্যোগ কবলিত এলাকা হিসেবে জম্মু-কাশ্মীর এবং বেলুচিস্তানকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, আজাদ জম্মু-কাশ্মীরে হিমবাহ ধসে এই পর্যন্ত ৭৭ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ৫৬ জন। বেলুচিস্তানে আহত হয়েছে ২৩ জন। এছাড়া, খাইবার-পাখতুনখোয়া এবং গিলগিট-বালতিস্তানে মারা গেছে পাঁচজন।

তুষার কবলিত অসহায় মানুষদের ইতিমধ্যেই কম্বল, তাবু, রেশন, প্লাস্টিকের পাটি, সোলার লাইট, রান্নার সামগ্রী, স্লিপিং ব্যাগ, জুতা, কাপড়-চোপড়, শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক বক্স এবং পানির বোতল দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগে আটকে পড়াদের উদ্ধারে বিভিন্ন সংস্থার উদ্ধারকর্মীরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধার কাজ পর্যবেক্ষণের জন্য আজাদ জম্মু-কাশ্মীর সফর করেন।

চলমান এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত দেশটিতে অন্তত ২৩৬টি বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এরমধ্যে আজাদ জম্মু-কাশ্মীরে ধ্বংস হয়েছে অন্তত ২০০ বাড়ি। খাইবার পাখতুনখোয়া এবং গিলগিট-বালতিস্তানে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩১টি ঘরবাড়ি।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট