ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু Logo আদালতকে বলতে চাইলাম ফাঁসি দিয়ে দেন, প্রস্তুত আছি: লতিফ সিদ্দিকী Logo নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহকে (ভিডিও) Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে অধীর অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী Logo ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন Logo বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারনে দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসি বৈঠক Logo সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার

হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা: মৃত্যুদণ্ড শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের

সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০১৯ সালের ইস্টার সানডের ভয়াবহ বোমা হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধান পুজিথ জয়সুন্দরাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। শুক্রবার তিন সদস্যের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।

তবে শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর অনানুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ রয়েছে। ফলে আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকেও এই স্থগিতাদেশ বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে প্রায় একই সময়ে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে ধারাবাহিক বোমা হামলা চালানো হয়। এতে ২৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৪২ জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক।

হামলার পর গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একাধিক সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। সেই ব্যর্থতার জেরেই জয়সুন্দরাকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে তাঁর। একই অভিযোগে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব হেমাসিরি ফার্নান্দোর বিরুদ্ধেও পৃথক রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।

২০১৯ সালের ওই হামলার জন্য শ্রীলঙ্কাভিত্তিক দুটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছিল। হামলায় সরাসরি জড়িত বলে শনাক্ত ব্যক্তিদের কেউ বর্তমানে জীবিত নেই। তবে হামলাকারীদের সহযোগিতার অভিযোগে আরও কয়েকজনের বিচার চলছে।

এদিকে শ্রীলঙ্কার ক্যাথলিক চার্চের দাবি, এখন পর্যন্ত যাদের হামলার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তারা প্রকৃত পরিকল্পনাকারী নন। তাদের মতে, এই হামলার নেপথ্যে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল।
সূত্র: এএফপি

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট

হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা: মৃত্যুদণ্ড শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের

হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা: মৃত্যুদণ্ড শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের

আপডেট সময় ০৩:৩৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০১৯ সালের ইস্টার সানডের ভয়াবহ বোমা হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধান পুজিথ জয়সুন্দরাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। শুক্রবার তিন সদস্যের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।

তবে শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর অনানুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ রয়েছে। ফলে আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকেও এই স্থগিতাদেশ বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে প্রায় একই সময়ে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে ধারাবাহিক বোমা হামলা চালানো হয়। এতে ২৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৪২ জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক।

হামলার পর গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একাধিক সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। সেই ব্যর্থতার জেরেই জয়সুন্দরাকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে তাঁর। একই অভিযোগে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব হেমাসিরি ফার্নান্দোর বিরুদ্ধেও পৃথক রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।

২০১৯ সালের ওই হামলার জন্য শ্রীলঙ্কাভিত্তিক দুটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছিল। হামলায় সরাসরি জড়িত বলে শনাক্ত ব্যক্তিদের কেউ বর্তমানে জীবিত নেই। তবে হামলাকারীদের সহযোগিতার অভিযোগে আরও কয়েকজনের বিচার চলছে।

এদিকে শ্রীলঙ্কার ক্যাথলিক চার্চের দাবি, এখন পর্যন্ত যাদের হামলার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তারা প্রকৃত পরিকল্পনাকারী নন। তাদের মতে, এই হামলার নেপথ্যে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল।
সূত্র: এএফপি

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট