/* */
Dhaka , শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত, বিজিবির কড়া প্রতিবাদ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:পঞ্চগড়ে আল আমিন (৩৬) নামে এক যুবক বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তার বাড়ি সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাতপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোররাতে সদর উপজেলার চোরাকারবারি দলের কয়েকজন সদস্য ভারতীয় সীমান্তের তারকাটা কেটে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। তারা ভিতরগড় সীমান্ত বিওপি এলাকার সীমান্ত পিলার ৭৪৪/৭ এস থেকে আনুমানিক ৫০ গজ ভেতরে ভাটপাড়া এলাকায় ঢুকে পড়ে। এসময় ভারতীয় জলপাইগুড়ি ব্যাটালিয়নের অন্তর্গত ৪৬ ভাটপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পের টহলদল চোরাকারবারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে মো. আল আমিন (৩৬) গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে জলপাইগুড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে, খবর পেয়ে শনিবার সকালে বিজিবি ৫৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪৬ বিএসএফ ভাটপাড়া ক্যাম্পের অধিনায়কের সঙ্গে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করেন এবং কড়া প্রতিবাদ জানান।

কর্নেল বদরুদ্দোজা সাংবাদিকদের জানান, আমরা বলেছি, অপরাধী হলেও তাকে থানায় নেওয়া উচিত ছিল। এভাবে মৃত্যু কাম্য নয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :

পঞ্চগড়ে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত, বিজিবির কড়া প্রতিবাদ

আপডেটের সময় : ০৯:৩১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:পঞ্চগড়ে আল আমিন (৩৬) নামে এক যুবক বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তার বাড়ি সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাতপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোররাতে সদর উপজেলার চোরাকারবারি দলের কয়েকজন সদস্য ভারতীয় সীমান্তের তারকাটা কেটে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। তারা ভিতরগড় সীমান্ত বিওপি এলাকার সীমান্ত পিলার ৭৪৪/৭ এস থেকে আনুমানিক ৫০ গজ ভেতরে ভাটপাড়া এলাকায় ঢুকে পড়ে। এসময় ভারতীয় জলপাইগুড়ি ব্যাটালিয়নের অন্তর্গত ৪৬ ভাটপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পের টহলদল চোরাকারবারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে মো. আল আমিন (৩৬) গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে জলপাইগুড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে, খবর পেয়ে শনিবার সকালে বিজিবি ৫৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪৬ বিএসএফ ভাটপাড়া ক্যাম্পের অধিনায়কের সঙ্গে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করেন এবং কড়া প্রতিবাদ জানান।

কর্নেল বদরুদ্দোজা সাংবাদিকদের জানান, আমরা বলেছি, অপরাধী হলেও তাকে থানায় নেওয়া উচিত ছিল। এভাবে মৃত্যু কাম্য নয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট