ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করল ফাইজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম এক স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকান বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি ফাইজার।

মঙ্গলবার (৫ মে) এক ঘোষণায় ফাইজার জানায়, ‘বায়োনেটেক এসই’ এর সহযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইজার ১৮-৫৫ বছর বয়সী আমেরিকান স্বেচ্ছাসেবকদের উপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করেছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ৩৬০ জন স্বাস্থ্যবান আমেরিকান সেচ্ছাসেবীকে এই ভ্যাক্সিন দেয়া হবে। যদি ভ্যাক্সিনটি কোনো প্রকার প্রতিক্রিয়া ছাড়া কাজ করে, তাহলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ২০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাক্সিন তৈরি করা সম্ভব হবে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছে দেয়া যাবে বলে জানিয়েছে দেশটির জায়ান্ট এই ওষুধ কোম্পানিটি।

মূলত ভ্যাক্সিন তৈরিতে অনেক দেরিতে মাঠে নেমেছে ফাইজার। আরএনএ (এমআরএনএ) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা এই ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত তৈরি হওয়া অন্যান্য ভ্যাকসিনগুলোর মধ্যে প্রথম দিকে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছে তারা।

জানা গেছে, গত মাসে করোনার জন্য তৈরি করা জার্মানির ভ্যাক্সিন ফর্মুলা অনেকটা অনুসরণ করেই যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করা হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি মর্ডানা ইনক ভ্যাকসিন তৈরির জন্য একই জাতীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। প্রথম তিন মাসের পরীক্ষাগুলি নিয়ে সেই ভ্যাকসিনটি পর্যালোচনার প্রথম ধাপ শুরু হয়েছে।

এর আগে ফাইজার গত সপ্তাহে মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) থেকে অক্টোবরের প্রথম দিকে জরুরী অনুমোদন চেয়ে আবেদন করে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারতে যাবেন না তারেক রহমান

পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করল ফাইজার

আপডেট সময় ১০:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম এক স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকান বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি ফাইজার।

মঙ্গলবার (৫ মে) এক ঘোষণায় ফাইজার জানায়, ‘বায়োনেটেক এসই’ এর সহযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইজার ১৮-৫৫ বছর বয়সী আমেরিকান স্বেচ্ছাসেবকদের উপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করেছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ৩৬০ জন স্বাস্থ্যবান আমেরিকান সেচ্ছাসেবীকে এই ভ্যাক্সিন দেয়া হবে। যদি ভ্যাক্সিনটি কোনো প্রকার প্রতিক্রিয়া ছাড়া কাজ করে, তাহলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ২০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাক্সিন তৈরি করা সম্ভব হবে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছে দেয়া যাবে বলে জানিয়েছে দেশটির জায়ান্ট এই ওষুধ কোম্পানিটি।

মূলত ভ্যাক্সিন তৈরিতে অনেক দেরিতে মাঠে নেমেছে ফাইজার। আরএনএ (এমআরএনএ) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা এই ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত তৈরি হওয়া অন্যান্য ভ্যাকসিনগুলোর মধ্যে প্রথম দিকে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছে তারা।

জানা গেছে, গত মাসে করোনার জন্য তৈরি করা জার্মানির ভ্যাক্সিন ফর্মুলা অনেকটা অনুসরণ করেই যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করা হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি মর্ডানা ইনক ভ্যাকসিন তৈরির জন্য একই জাতীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। প্রথম তিন মাসের পরীক্ষাগুলি নিয়ে সেই ভ্যাকসিনটি পর্যালোচনার প্রথম ধাপ শুরু হয়েছে।

এর আগে ফাইজার গত সপ্তাহে মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) থেকে অক্টোবরের প্রথম দিকে জরুরী অনুমোদন চেয়ে আবেদন করে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট