ঢাকা , রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রীর দাবি চীনের হুমকি প্রতিদিন বাড়ছে

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: চীনের হুমকি তাইওয়ানের ওপর  প্রতিদিন বাড়ছে বলে দাবি করেছে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট তাসাই ইন ওয়েন। সেই সঙ্গে তাইওয়ানে মার্কিন সেনাবাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করেন তিনি।

বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে চায় তাইওয়ান এমনটাই বলেন সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাইওয়ান প্রেসিডেন্ট । তবে এ বিষয়ে চীন চাপ দিলে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে আসবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি। তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষ চায় নিজেদের গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে এবং সেই সঙ্গে তারা যে স্বাধীনতার প্রাপ্য তা ভোগ করতে। আমরা যদি ব্যর্থ হই, তবে নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করতে হবে।’

মঙ্গলবার সম্প্রচারিত ধারণ করা ওই সাক্ষাৎকারে জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে তাইওয়ানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তাসাই ইন-ওয়েন।

চীনের গৃহযুদ্ধের পর ৭০ বছরেরও বেশি সময় আগে চীন থেকে বেরিয়ে এসেছে তাইওয়ান। কিন্তু তাইওয়ানকে চীনেরই একটি অংশ মনে করে বেইজিং।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রীর দাবি চীনের হুমকি প্রতিদিন বাড়ছে

আপডেট সময় ০৮:১৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: চীনের হুমকি তাইওয়ানের ওপর  প্রতিদিন বাড়ছে বলে দাবি করেছে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট তাসাই ইন ওয়েন। সেই সঙ্গে তাইওয়ানে মার্কিন সেনাবাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করেন তিনি।

বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে চায় তাইওয়ান এমনটাই বলেন সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাইওয়ান প্রেসিডেন্ট । তবে এ বিষয়ে চীন চাপ দিলে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে আসবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি। তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষ চায় নিজেদের গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে এবং সেই সঙ্গে তারা যে স্বাধীনতার প্রাপ্য তা ভোগ করতে। আমরা যদি ব্যর্থ হই, তবে নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করতে হবে।’

মঙ্গলবার সম্প্রচারিত ধারণ করা ওই সাক্ষাৎকারে জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে তাইওয়ানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তাসাই ইন-ওয়েন।

চীনের গৃহযুদ্ধের পর ৭০ বছরেরও বেশি সময় আগে চীন থেকে বেরিয়ে এসেছে তাইওয়ান। কিন্তু তাইওয়ানকে চীনেরই একটি অংশ মনে করে বেইজিং।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট