আইএনবি ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আজহা দরোজায় কড়া নাড়ছে । প্রস্তুত রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটগুলো। কিছু হাটে গরুও আসতে শুরু করেছে।তবে বেশিরভাগ হাটই এখনোফাঁকা। ঈদের ঈদের এখনও প্রায় একসপ্তাহ বাকি থাকায় ক্রেতা সমাগম খুব একটা দেখা যায়নি।
রাজধানী ঢাকায় কোরবানির পশুর হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পশু আসতে শুরু করেছে। ঢাকার হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন জেলার খামারিরা ট্রাকে ট্রাকে দেশি গরু নিয়ে আসছেন। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও চরাঞ্চলের খামারীরা এবার কোরবানির পশু নিয়ে আসছেন ঢাকার হাটগুলোতে। তবে ব্যবসায়ীরা জানান, কোরবানির সময় ঘনিয়ে এলে আরো বিপুলসংখ্যক পশু ঢাকায় প্রবেশ করবে। তাদের আশা, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বাজারে পশুর সঙ্কট হবে না এবং দামও তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকবে।
বুধবার গাবতলী, দিয়াবাড়িসহ কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা গেছে গরুর দাম এবার বেশ চড়া। খামারি ও ব্যাপারিরা বলছেন পশুখাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে এবার গরুর দাম বাড়তি। তবে অন্য যে কোনো সময়ের তুলনা প্রশাসনের ব্যাপক নজরদারিতে চলতি বছর রাস্তার মোড়ে মোড়ে ব্যাপারিদের কাছ চাাঁদ আদায়ের হার কমেছে বলে জানান তারা।
রাজধানীর স্থায়ী গরুর হাট গাবতলীতে দেখে গেছে, কোরবানির পশুর সমাগম তুলনামূলক বেশি। প্রতিবছরই নগরবাসীর চাহিদার শীর্ষে থাকে ছোট ও মাঝারি সাইজের দেশি গরুর। গতবার ছোট সাইজের যে গরু বিক্রি হয়েছে ১ লাখ টাকায় । এবছর ব্যাপারিরা গেগুলো দাম চাইছেন দেড় লাখ টাক। মাঝারি সাইজের গরু আড়াই লাখের নিচে চোখে পড়লো না। তবে খামারি ও ব্যাপারিরা বাজার বুঝতেই গরুর এই চড়া দাম হাঁকাচ্ছেন বলে অনেকের ধারণা। আসলে এখনই গরুর দড়ি হাতছাড়া করতে নারাজ। বাজারে ক্রেতার সমাগম আর চাহিদা বুঝে গরু ছাড়বেন। কাজেই এখন বেশি দাম হাঁকালে আগামী করেয়কদিনে গরুর দাম কমবে ধারণা করছেন ত্রেতারা।
ইতোমধ্যেই রাজধানীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ২৭টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতায় থাকছে ১১টি হাট। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) এলাকায় ১৬টি হাট বসবে। এরই মধ্যে ১৯টি হাটের ইজারা সম্পন্ন করেছে সংস্থা দুটি।
কোরবানির পশুর হাট সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে সাধারণত ঈদের দুই-তিন দিন আগে হাটে আসেন। তাই ক্রেতা সমাগম এখন কম থাকলেও, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে হাটের চিত্র পুরোপুরি বদলে যাবে এবং বেচাবিক্রি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
আইএনবি/বিভূঁইয়া