আইএনবি ডেস্ক: দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগের মধ্যেই গ্রাহকদের জন্য ফের বাড়ানো হলো জ্বালানি এই পণ্যটির দাম। ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), যা আগের মাসে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা ছিল। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারিত এই নতুন দর রোববার (৪ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
একই সঙ্গে সাড়ে ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত বিভিন্ন ওজনের এলপিজির দামও সমান হারে বাড়ানো হয়েছে এবং মোটরযানে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা করা হয়েছে। তবে সরকারি কোম্পানির সরবরাহকৃত সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যদিও এর সরবরাহ খুবই সীমিত হওয়ায় সাধারণ ভোক্তাদের বড় একটি অংশ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন।
এদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এলপিজির তীব্র সংকট চলছে এবং নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি অর্থ দিয়ে কোথাও কোথাও গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এমনকি কিছু এলাকায় ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত চড়া দামে বিক্রির গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে নতুন এই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণায় ভোক্তাদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে ১২ জন আমদানিকারকের সেপ্টেম্বর মাসের আমদানি ও বিক্রির সুনির্দিষ্ট তথ্য চেয়েছে বিইআরসি। এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে সরবরাহ ৮০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া এবং ২৫ সেপ্টেম্বরের পর কিছু ডিপো থেকে সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধের অভিযোগ তোলা হলেও, আমদানিকারকরা এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে তারা নির্ধারিত দামেই সিলিন্ডার সরবরাহ করছেন এবং বাজারে কোনো কারসাজি করছেন না।
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রিন্ট

সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়াল নতুন মামলায় গ্রেপ্তার 











