/* */
Dhaka , রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের

কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা করলেন: লেখক ও সাংবাদিক বাবুল ভূঁইয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ( নবীনগর) প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ২০ নং কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কাইতলা বাজারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী, লেখক ও সাংবাদিক মোঃ বাবুল ভূঁইয়া।

 

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে সরকারের সম্ভাব্য ঘোষণার পর থেকেই উত্তাপ ছড়িয়েছে ২০ নং কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে। সম্ভাব্য নির্বাচনের মাঠে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন ঐতিহ্যবাহী কাইতলা ভূঁইয়া বংশের ৭ম প্রজন্মের যোগ্য উত্তরসূরি, দেশের খ্যাতিমান ক্ষুরধার লেখক ও সাংবাদিক মোঃ বাবুল ভূঁইয়া।

আজ শনিবার (০৩ অক্টোবর) তার পিতা ও পিতামহের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নেমেছেন।সম্ভাব্য প্রার্থীর বার্তা নিয়ে মাঠে নামার পর থেকেই কাইতলা দক্ষিণে তাঁর পক্ষে ব্যাপক সাড়া ও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 


তবে নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই এক ব্যতিক্রমী ও অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সাংবাদিক বাবুল ভূঁইয়া। কাইতলা দক্ষিণে রাজনৈতিক কাদা-ছোড়াছুড়ি ও হিংসা-বিদ্বেষের সংস্কৃতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মাঠে থাকা অন্যান্য সকল সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রতি খোলা মনে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি। কাইতলার ইতিহাসে সকল প্রতিদ্বন্দ্বীকে এমন সম্মান ও সাধুবাদ জানানোর ঘটনা এটাই প্রথম, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর দাগ কেটেছে।

সচেতন ও সাধারণ মানুষ মনে করছেন, “অন্য প্রার্থীদের প্রশংসা ও শুভকামনা জানানোর এই উদারতাই প্রমাণ করে বাবুল ভূঁইয়া হিংসামুক্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ নতুন কাইতলা গড়ার সত্যিকারের কাণ্ডারী। তিনি চেয়ারম্যান হলে সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে এবং কাইতলার সার্বিক উন্নয়ন ঘটবে বলে তারা মনে করেন।”


কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন পথেপ্রান্তে ঘুরে পথচারী, ব্যবসায়ী, প্রবীণ ও তরুণদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় কাইতলা বাজার ও গোয়ালী গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ মানবিক সেবা, জনসম্পৃক্ততা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণায় অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের চেয়ে দৃশ্যমান ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করছেন তিনি।

কাইতলা প্রধান বাজার, গোয়ালী গ্রামসহ ইউনিয়নের প্রতিটি হাট-বাজার ও মোড়ে পথচারী, ব্যবসায়ী, প্রবীণ ও তরুণদের সাথে মতবিনিময় এবং লিফলেট বিতরণ করেছেন এই গুণী সাংবাদিক।

দেশজুড়ে প্রখ্যাত লেখক ও মানবিক ব্যক্তিত্ব একজন প্রখ্যাত কলামিস্ট ও প্রাবন্ধিক হিসেবে সাংবাদিক বাবুল ভূঁইয়ার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। তাঁর রচিত ও বহুল আলোচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘ঠিকানা বিহীন জীবন’, অনুভূতি পালিয়েছে, ভালোবাসার নীল কষ্ট (১ম খন্ড), ‘মা এখনও কাঁদেন’ সারা দেশব্যাপী সর্বমহলে ব্যাপক সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়েছিল। শুধু লেখনীই নয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও তাঁর মানবিক কাজের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন ‘জনতার মঞ্চ ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তিনি পবিত্র রমজান মাসে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পথচারীদের মাঝে সেহরি, ইফতার ও ঈদের খাদ্যসামগ্রী উপহার হিসেবে বিতরণ করে আসছেন। করোনাকালীন কঠিন সময়ে যখন মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছিল, তখন সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে ব্যাপক প্রশংসিত ও আলোচিত হন। এছাড়া সিলেটের বন্যাকবলিত অঞ্চল, ফেনী ও নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন দুর্যোগে বন্যার্তদের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রতি বছর শীতকালে ঢাকার পথপ্রান্তের অসহায় মানুষ ও বিভিন্ন মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ তাঁর নিয়মিত মানবিক কার্যক্রমের অংশ। এছাড়াও তিনি নবীনগর উপজেলার কাইতলা দক্ষিণের পূর্ব পাড়াসহ, বিদ্যাকুট, রসুল্লাবাদ, ইব্রাহীমপুর এবং এসব মানবিক উদ্যোগ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে প্রচারিত হয়েছে।ঐতিহাসিক রক্ত ও পারিবারিক ঐতিহ্য উত্তরাধিকার এবং সামাজিক মর্যাদার দিক থেকেও তিনি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। কাইতলা গ্রামের নামকরণের ইতিহাসের সাথে সরাসরি জড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক ভূসম্পত্তি ও তালুকের মালিক আকবর কাই ভূঁইয়া ও শমসের কাই ভূঁইয়ার ঐতিহ্যবাহী ভূঁইয়া বংশের ৭ম প্রজন্মের যোগ্য উত্তরসূরি হলেন সাংবাদিক বাবুল ভূঁইয়া। তিনি বলেন ‘ক্ষমতা অল্প দিনের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের, আমি সম্পর্কে বিশ্বাসী’।

 

এলাকাবাসীর মতে, মোঃ বাবুল ভূঁইয়া সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ায় কাইতলার সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য—তিনি নির্বাচিত হলে অবহেলিত কাইতলার সার্বিক উন্নয়ন ঘটবে। কারণ তাঁর মাঝে রয়েছে গভীর দেশপ্রেম, সততা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। ঐতিহাসিক রক্তের ঐতিহ্য, সততা, ক্ষুরধার লেখনী এবং বহুবছরের অকৃত্রিম মানবসেবাকে সম্বল করে মোঃ বাবুল ভূঁইয়াকে ঘিরে ২০ নং কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে এখন পরিবর্তনের তীব্র হাওয়া বইছে।

 

এ সময় তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার পরিষদের তথ্য ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান মসিউর রহমান সহ বিভিন্ন পেশার ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

আইএনবি নিউজ


প্রিন্ট
ট্যাগ :

কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা করলেন: লেখক ও সাংবাদিক বাবুল ভূঁইয়া

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের

কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা করলেন: লেখক ও সাংবাদিক বাবুল ভূঁইয়া

আপডেটের সময় : ১০:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ( নবীনগর) প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ২০ নং কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কাইতলা বাজারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী, লেখক ও সাংবাদিক মোঃ বাবুল ভূঁইয়া।

 

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে সরকারের সম্ভাব্য ঘোষণার পর থেকেই উত্তাপ ছড়িয়েছে ২০ নং কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে। সম্ভাব্য নির্বাচনের মাঠে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন ঐতিহ্যবাহী কাইতলা ভূঁইয়া বংশের ৭ম প্রজন্মের যোগ্য উত্তরসূরি, দেশের খ্যাতিমান ক্ষুরধার লেখক ও সাংবাদিক মোঃ বাবুল ভূঁইয়া।

আজ শনিবার (০৩ অক্টোবর) তার পিতা ও পিতামহের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নেমেছেন।সম্ভাব্য প্রার্থীর বার্তা নিয়ে মাঠে নামার পর থেকেই কাইতলা দক্ষিণে তাঁর পক্ষে ব্যাপক সাড়া ও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 


তবে নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই এক ব্যতিক্রমী ও অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সাংবাদিক বাবুল ভূঁইয়া। কাইতলা দক্ষিণে রাজনৈতিক কাদা-ছোড়াছুড়ি ও হিংসা-বিদ্বেষের সংস্কৃতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মাঠে থাকা অন্যান্য সকল সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রতি খোলা মনে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি। কাইতলার ইতিহাসে সকল প্রতিদ্বন্দ্বীকে এমন সম্মান ও সাধুবাদ জানানোর ঘটনা এটাই প্রথম, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর দাগ কেটেছে।

সচেতন ও সাধারণ মানুষ মনে করছেন, “অন্য প্রার্থীদের প্রশংসা ও শুভকামনা জানানোর এই উদারতাই প্রমাণ করে বাবুল ভূঁইয়া হিংসামুক্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ নতুন কাইতলা গড়ার সত্যিকারের কাণ্ডারী। তিনি চেয়ারম্যান হলে সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে এবং কাইতলার সার্বিক উন্নয়ন ঘটবে বলে তারা মনে করেন।”


কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন পথেপ্রান্তে ঘুরে পথচারী, ব্যবসায়ী, প্রবীণ ও তরুণদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় কাইতলা বাজার ও গোয়ালী গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ মানবিক সেবা, জনসম্পৃক্ততা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণায় অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের চেয়ে দৃশ্যমান ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করছেন তিনি।

কাইতলা প্রধান বাজার, গোয়ালী গ্রামসহ ইউনিয়নের প্রতিটি হাট-বাজার ও মোড়ে পথচারী, ব্যবসায়ী, প্রবীণ ও তরুণদের সাথে মতবিনিময় এবং লিফলেট বিতরণ করেছেন এই গুণী সাংবাদিক।

দেশজুড়ে প্রখ্যাত লেখক ও মানবিক ব্যক্তিত্ব একজন প্রখ্যাত কলামিস্ট ও প্রাবন্ধিক হিসেবে সাংবাদিক বাবুল ভূঁইয়ার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। তাঁর রচিত ও বহুল আলোচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘ঠিকানা বিহীন জীবন’, অনুভূতি পালিয়েছে, ভালোবাসার নীল কষ্ট (১ম খন্ড), ‘মা এখনও কাঁদেন’ সারা দেশব্যাপী সর্বমহলে ব্যাপক সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়েছিল। শুধু লেখনীই নয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও তাঁর মানবিক কাজের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন ‘জনতার মঞ্চ ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তিনি পবিত্র রমজান মাসে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পথচারীদের মাঝে সেহরি, ইফতার ও ঈদের খাদ্যসামগ্রী উপহার হিসেবে বিতরণ করে আসছেন। করোনাকালীন কঠিন সময়ে যখন মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছিল, তখন সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে ব্যাপক প্রশংসিত ও আলোচিত হন। এছাড়া সিলেটের বন্যাকবলিত অঞ্চল, ফেনী ও নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন দুর্যোগে বন্যার্তদের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রতি বছর শীতকালে ঢাকার পথপ্রান্তের অসহায় মানুষ ও বিভিন্ন মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ তাঁর নিয়মিত মানবিক কার্যক্রমের অংশ। এছাড়াও তিনি নবীনগর উপজেলার কাইতলা দক্ষিণের পূর্ব পাড়াসহ, বিদ্যাকুট, রসুল্লাবাদ, ইব্রাহীমপুর এবং এসব মানবিক উদ্যোগ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে প্রচারিত হয়েছে।ঐতিহাসিক রক্ত ও পারিবারিক ঐতিহ্য উত্তরাধিকার এবং সামাজিক মর্যাদার দিক থেকেও তিনি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। কাইতলা গ্রামের নামকরণের ইতিহাসের সাথে সরাসরি জড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক ভূসম্পত্তি ও তালুকের মালিক আকবর কাই ভূঁইয়া ও শমসের কাই ভূঁইয়ার ঐতিহ্যবাহী ভূঁইয়া বংশের ৭ম প্রজন্মের যোগ্য উত্তরসূরি হলেন সাংবাদিক বাবুল ভূঁইয়া। তিনি বলেন ‘ক্ষমতা অল্প দিনের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের, আমি সম্পর্কে বিশ্বাসী’।

 

এলাকাবাসীর মতে, মোঃ বাবুল ভূঁইয়া সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ায় কাইতলার সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য—তিনি নির্বাচিত হলে অবহেলিত কাইতলার সার্বিক উন্নয়ন ঘটবে। কারণ তাঁর মাঝে রয়েছে গভীর দেশপ্রেম, সততা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। ঐতিহাসিক রক্তের ঐতিহ্য, সততা, ক্ষুরধার লেখনী এবং বহুবছরের অকৃত্রিম মানবসেবাকে সম্বল করে মোঃ বাবুল ভূঁইয়াকে ঘিরে ২০ নং কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে এখন পরিবর্তনের তীব্র হাওয়া বইছে।

 

এ সময় তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার পরিষদের তথ্য ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান মসিউর রহমান সহ বিভিন্ন পেশার ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

আইএনবি নিউজ


প্রিন্ট