ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

চট্টগ্রামে সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম জেলায় টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে অন্তত সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানকার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে ৩ লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

 

শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় যে তথ্য দিয়েছে, তাতে বিভিন্ন উপজেলার সাড়ে ৭ লাখের বেশি মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলার ১৫ উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি আছেন জানিয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় থেকে জানানো হয়, শুক্রবার পর্যন্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ১৭৬টি ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবারের ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯০ জন লোক বন্যা আক্রান্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মোট ১০ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :

পানির নিচে ২০ ঘণ্টা শুটিং, ‘পাগলামি’ বললেন রাশমিকা

চট্টগ্রামে সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি

আপডেট সময় ০৯:৪৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম জেলায় টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে অন্তত সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানকার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে ৩ লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

 

শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় যে তথ্য দিয়েছে, তাতে বিভিন্ন উপজেলার সাড়ে ৭ লাখের বেশি মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলার ১৫ উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি আছেন জানিয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় থেকে জানানো হয়, শুক্রবার পর্যন্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ১৭৬টি ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবারের ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯০ জন লোক বন্যা আক্রান্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মোট ১০ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট