ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রুবেল নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে।

নিহত রুবেল (২২) নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমূল গ্রামের রাজা হাওলাদারের ছেলে।

থানা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রুবেল তার বাবার দায়ের করা একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। রুবেল বাড়িতে অবস্থান করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে এএসআই আমজাদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে নিকলী থানায় নিয়ে আসেন এবং হাজতে রাখেন।

পুলিশ জানায়, পরে তাকে আদালতে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেন কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার এএসআই শেফালী আক্তার। বেলা প্রায় ১১টার দিকে তিনি হাজতে গিয়ে দেখতে পান, রুবেল তার পরিহিত শার্ট খুলে হাজতখানার গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছেন।

এ ঘটনায় এএসআই শেফালী আক্তার তাৎক্ষণিকভাবে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল আলমকে বিষয়টি জানান। পরে ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেন।

জেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঝুলন্ত মরদেহ নামিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। তিনি জানান, মরদেহে প্রাথমিকভাবে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :

পানির নিচে ২০ ঘণ্টা শুটিং, ‘পাগলামি’ বললেন রাশমিকা

থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৮:১৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রুবেল নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে।

নিহত রুবেল (২২) নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমূল গ্রামের রাজা হাওলাদারের ছেলে।

থানা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রুবেল তার বাবার দায়ের করা একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। রুবেল বাড়িতে অবস্থান করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে এএসআই আমজাদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে নিকলী থানায় নিয়ে আসেন এবং হাজতে রাখেন।

পুলিশ জানায়, পরে তাকে আদালতে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেন কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার এএসআই শেফালী আক্তার। বেলা প্রায় ১১টার দিকে তিনি হাজতে গিয়ে দেখতে পান, রুবেল তার পরিহিত শার্ট খুলে হাজতখানার গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছেন।

এ ঘটনায় এএসআই শেফালী আক্তার তাৎক্ষণিকভাবে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল আলমকে বিষয়টি জানান। পরে ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেন।

জেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঝুলন্ত মরদেহ নামিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। তিনি জানান, মরদেহে প্রাথমিকভাবে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট