ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার Logo রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে বঙ্গভবন ঘিরে কৌতূহল Logo ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে কথা না বলায় ক্যাটরিনার ফ্যান পেজ বন্ধ Logo জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা Logo মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ আটক Logo হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু Logo সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের ফ্ল্যাটে মিলেছে ৩০০ কোট, ৫৩২ টাই ও ১০০ কামিজ Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার Logo দেশের গণপরিবহন আধুনিকায়নে ১ হাজার ৪০০ বৈদ্যুতিক বাস চালুর পরিকল্পনা

খুব শিগগিরই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে মনে হয় না

আইএনবি ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে যারা নির্বাচিত সরকার ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ চান না, তাদের জন্য ‘বড় বাধা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন দলটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পথে এগোতে দিতে চান না বা দেশটিকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন দেখেন, তাদের কাছে তারেক রহমানই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

রুমিন ফারহানা বলেন, তারেক রহমানকে শুধু বিএনপির প্রধান বা কাণ্ডারি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। বাংলাদেশের প্রোগ্রেসিভ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভবিষ্যৎ মধ্যপন্থার ধারাটি টিকে থাকবে কি না—তা অনেকাংশে নির্ভর করছে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন কি না তার ওপর। তাই তার দেশে ফেরা এখন আর শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; এটি দেশের রাজনৈতিক গতিপথ এবং জনগণের ভাগ্যের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব। তারেক রহমান যদি মনে করেন তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ তুলে রুমিন প্রশ্ন করেন, সরকার কি সত্যিই গণতান্ত্রিক উত্তরণ চায়? তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, আগে বলা হয়েছিল ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা হবে, পরে আবার জানানো হয়েছে এটি ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আসতে পারে। ফেব্রুয়ারি মাসে আদৌ নির্বাচন হবে কি না—এ প্রশ্ন এখন প্রায় সবার মুখেই।

তিনি বলেন, অতীতের মতো নির্বাচনের আগে যে উত্তাপে পরিবেশ প্রাণবন্ত হওয়ার কথা, বর্তমানে তার কোনো লক্ষণ নেই; বরং সর্বত্র থমথমে পরিস্থিতি। কিছু দিন আগেও এনসিপি জোট, জামায়াতের হুঁশিয়ারি, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা—এসব কারণে রাজনৈতিক অঙ্গন ছিল বেশ উত্তপ্ত। এখন দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, অনেকেই স্পষ্টভাবে বলছেন ফেব্রুয়ারিতে কোনো নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। রুমিনের ব্যক্তিগত মতও—খুব শিগগিরই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে মনে হয় না।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে সব ব্যয় অনুমোদিত, অনিয়মের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’

খুব শিগগিরই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে মনে হয় না

আপডেট সময় ০১:২৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

আইএনবি ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে যারা নির্বাচিত সরকার ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ চান না, তাদের জন্য ‘বড় বাধা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন দলটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পথে এগোতে দিতে চান না বা দেশটিকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন দেখেন, তাদের কাছে তারেক রহমানই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

রুমিন ফারহানা বলেন, তারেক রহমানকে শুধু বিএনপির প্রধান বা কাণ্ডারি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। বাংলাদেশের প্রোগ্রেসিভ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভবিষ্যৎ মধ্যপন্থার ধারাটি টিকে থাকবে কি না—তা অনেকাংশে নির্ভর করছে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন কি না তার ওপর। তাই তার দেশে ফেরা এখন আর শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; এটি দেশের রাজনৈতিক গতিপথ এবং জনগণের ভাগ্যের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব। তারেক রহমান যদি মনে করেন তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ তুলে রুমিন প্রশ্ন করেন, সরকার কি সত্যিই গণতান্ত্রিক উত্তরণ চায়? তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, আগে বলা হয়েছিল ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা হবে, পরে আবার জানানো হয়েছে এটি ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আসতে পারে। ফেব্রুয়ারি মাসে আদৌ নির্বাচন হবে কি না—এ প্রশ্ন এখন প্রায় সবার মুখেই।

তিনি বলেন, অতীতের মতো নির্বাচনের আগে যে উত্তাপে পরিবেশ প্রাণবন্ত হওয়ার কথা, বর্তমানে তার কোনো লক্ষণ নেই; বরং সর্বত্র থমথমে পরিস্থিতি। কিছু দিন আগেও এনসিপি জোট, জামায়াতের হুঁশিয়ারি, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা—এসব কারণে রাজনৈতিক অঙ্গন ছিল বেশ উত্তপ্ত। এখন দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, অনেকেই স্পষ্টভাবে বলছেন ফেব্রুয়ারিতে কোনো নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। রুমিনের ব্যক্তিগত মতও—খুব শিগগিরই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে মনে হয় না।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট