ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তানে সেনা প্রত্যাহার শুরুর পর সহিংসতা বেড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোট সেনা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। তবে সেনা প্রত্যাহার শুরুর পর থেকেই আফগানিস্তানে সহিংসতা আরো বেড়েছে। আফগানিস্তানে চলমান হত্যাযজ্ঞকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। আফগানিস্তান টাইমস জানিয়েছে, গত সপ্তাহে প্রায় ২০০ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে স্কুলছাত্রও রয়েছে। খুব কম সময়ের মধ্যেই আফগানিস্তানে তালেবানের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সেনা প্রত্যাহার শুরুর পর থেকে সরকারি কর্মকর্তারাও নানা স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন, যা সরকার পতনের আশঙ্কাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পরে আর কিছুই হবে না বলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছিল আফগান সরকার। এখন তারাই বিদেশি সেনাদের দীর্ঘকালীন উপস্থিতি কামনা করছে।

সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আফগান সরকারের বক্তব্য ও পদক্ষেপের মধ্যে কোনো মিল নেই। বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে আনার বা আফগানিস্তানকে রক্ষার দাবি করার আগে আফগানদের জাতীয় ঐক্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই মুহূর্তে ফারয়াবে যা ঘটছে তা হতাশা ও রাজনৈতিক বিভেদের উদাহরণ। দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির পদক্ষেপ সাধারণ শত্রুদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর পক্ষে এটি সত্যিকার অর্থে উপযুক্ত নয়।

প্রেসিডেন্ট ঘানি সেখানে এমন একজন গর্ভনর নিযুক্ত করেন যাকে স্থানীয়দের পছন্দ নয়। এই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার পরে গর্ভনর অফিসকে জিম্মি করা হয়। আগানিস্তান টাইমস জানিয়েছে, এ বছরের শুরুর তিন মাসে দেশটিতে প্রায় ২ হাজার জন নিহত হয়েছে। আফগানিস্তান যেহেতু শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায় তাই এ ধরনের একতরফা সিদ্ধান্তগুলো বন্ধ করার প্রয়োজন রয়েছে।
সূত্র: আগানিস্তান টাইমস।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির মূল কারিগর খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল

আফগানিস্তানে সেনা প্রত্যাহার শুরুর পর সহিংসতা বেড়েছে

আপডেট সময় ১১:০২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মে ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোট সেনা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। তবে সেনা প্রত্যাহার শুরুর পর থেকেই আফগানিস্তানে সহিংসতা আরো বেড়েছে। আফগানিস্তানে চলমান হত্যাযজ্ঞকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। আফগানিস্তান টাইমস জানিয়েছে, গত সপ্তাহে প্রায় ২০০ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে স্কুলছাত্রও রয়েছে। খুব কম সময়ের মধ্যেই আফগানিস্তানে তালেবানের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সেনা প্রত্যাহার শুরুর পর থেকে সরকারি কর্মকর্তারাও নানা স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন, যা সরকার পতনের আশঙ্কাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পরে আর কিছুই হবে না বলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছিল আফগান সরকার। এখন তারাই বিদেশি সেনাদের দীর্ঘকালীন উপস্থিতি কামনা করছে।

সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আফগান সরকারের বক্তব্য ও পদক্ষেপের মধ্যে কোনো মিল নেই। বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে আনার বা আফগানিস্তানকে রক্ষার দাবি করার আগে আফগানদের জাতীয় ঐক্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই মুহূর্তে ফারয়াবে যা ঘটছে তা হতাশা ও রাজনৈতিক বিভেদের উদাহরণ। দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির পদক্ষেপ সাধারণ শত্রুদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর পক্ষে এটি সত্যিকার অর্থে উপযুক্ত নয়।

প্রেসিডেন্ট ঘানি সেখানে এমন একজন গর্ভনর নিযুক্ত করেন যাকে স্থানীয়দের পছন্দ নয়। এই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার পরে গর্ভনর অফিসকে জিম্মি করা হয়। আগানিস্তান টাইমস জানিয়েছে, এ বছরের শুরুর তিন মাসে দেশটিতে প্রায় ২ হাজার জন নিহত হয়েছে। আফগানিস্তান যেহেতু শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায় তাই এ ধরনের একতরফা সিদ্ধান্তগুলো বন্ধ করার প্রয়োজন রয়েছে।
সূত্র: আগানিস্তান টাইমস।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট