ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের সামরিক মহড়ার ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক মহড়া চালাবে চীন। এ উপলক্ষে দেশটির সমুদ্র নিরাপত্তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে টনকিন উপসাগরের কিছু অঞ্চলে আগামীকাল বুধবার থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত নৌ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রে জো বাইডেনের অভিষেকের পরই ‘সমুদ্রে অবাধ বিচরণ’ নিশ্চিত করতে শনিবার মার্কিন সেনাবাহিনীর যুদ্ধবিমানবাহী ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট রণতরীসহ তিনটি যুদ্ধজাহাজ দক্ষিণ চীন সাগরে প্রবেশ করে। চীন এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশের পরই মঙ্গলবার দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক মহাড়ার ঘোষণা দিল। তবে মহড়া কখন শুরু হবে এবং তা কতটা ব্যাপক মাত্রার হবে সে বিষয়ে চীন বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনাকর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আরেক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সম্প্রতি কয়েকবছরে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে তাদের তৎপরতা বাড়িয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরের সিংহভাগ এলাকা চীন নিজের বলে দাবি করে থাকে। তবে ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, ব্রুনেই ও তাইওয়ানেরও এ সাগরের ওপর দাবি রয়েছে। বিরোধপূর্ণ এ সাগরে প্রায়ই মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি নিয়ে চীন অভিযোগ করে আসছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার বেইজিং অভিযোগ করে, প্রতিবছর ট্রিলিয়ন ডলারে বাণিজ্য যেখান দিয়ে হয়, সেখানে বারবার যুদ্ধবিমান ও রণতরি পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চায়। এ ধরনের কোনো কার্যক্রম এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে বাধা।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির মূল কারিগর খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল

চীনের সামরিক মহড়ার ঘোষণা

আপডেট সময় ০৮:২৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক মহড়া চালাবে চীন। এ উপলক্ষে দেশটির সমুদ্র নিরাপত্তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে টনকিন উপসাগরের কিছু অঞ্চলে আগামীকাল বুধবার থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত নৌ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রে জো বাইডেনের অভিষেকের পরই ‘সমুদ্রে অবাধ বিচরণ’ নিশ্চিত করতে শনিবার মার্কিন সেনাবাহিনীর যুদ্ধবিমানবাহী ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট রণতরীসহ তিনটি যুদ্ধজাহাজ দক্ষিণ চীন সাগরে প্রবেশ করে। চীন এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশের পরই মঙ্গলবার দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক মহাড়ার ঘোষণা দিল। তবে মহড়া কখন শুরু হবে এবং তা কতটা ব্যাপক মাত্রার হবে সে বিষয়ে চীন বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনাকর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আরেক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সম্প্রতি কয়েকবছরে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে তাদের তৎপরতা বাড়িয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরের সিংহভাগ এলাকা চীন নিজের বলে দাবি করে থাকে। তবে ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, ব্রুনেই ও তাইওয়ানেরও এ সাগরের ওপর দাবি রয়েছে। বিরোধপূর্ণ এ সাগরে প্রায়ই মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি নিয়ে চীন অভিযোগ করে আসছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার বেইজিং অভিযোগ করে, প্রতিবছর ট্রিলিয়ন ডলারে বাণিজ্য যেখান দিয়ে হয়, সেখানে বারবার যুদ্ধবিমান ও রণতরি পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চায়। এ ধরনের কোনো কার্যক্রম এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে বাধা।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট