এমডি বাবুল ভূঁইয়া: অল্প বয়সের মেয়েদের সংসার ভাঙার পেছনে কোনো একক ব্যক্তি নয়, বরং সামাজিক, পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত নানাবিধ কারণ ও ব্যক্তি দায়ী থাকে। বিষয়টিকে কয়েকটি দিক থেকে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে:
পারিবারিক হস্তক্ষেপ ও মানসিকতা: অনেক ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর পরিবার (বিশেষ করে শাশুড়ি বা শ্বশুর) অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করলে সংসার ভেঙে যায়। মা-বাবার দুনিয়াবী স্বার্থ বা লোভের কারণেও সন্তানের সংসার ভাঙার ঘটনা ঘটে।
যোগাযোগের অভাব ও সহনশীলতা: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মন খুলে কথা না বলা বা যোগাযোগের অভাব দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্টের অন্যতম কারণ। অল্প বয়সে বিয়ের পর সহনশীলতা ও মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতার অভাব বিচ্ছেদের ঝুঁকি বাড়ায়।অপরিণত বয়স ও ভুল বোঝাবুঝি: খুব কম বয়সে বিয়ে হলে জীবনের বাস্তবতা ও সম্পর্কের গভীরতা বোঝার ক্ষমতা কম থাকে, ফলে ছোটখাটো বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝি থেকে বড় বিচ্ছেদ হয়।
সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণ: যৌতুক, মেয়ের বাবার বাড়ি থেকে চাপ, অথবা ছেলেদের ভালো না হওয়া (অন্যের প্ররোচনায় পড়া) সংসার ভাঙার কারণ।
তৃতীয় পক্ষের প্ররোচনা: অনেক ক্ষেত্রে আশেপাশের মানুষ, আত্মীয়-স্বজন, এমনকি অন্য কোনো নারী বা পুরুষের প্ররোচনায় সংসার ভেঙে যেতে পারে, যা ধর্মীয় ও নৈতিকভাবে অত্যন্ত গর্হিত কাজ।
মানসিক চাপ ও বিষাক্ত পরিবেশ: বিষাক্ত শ্বশুরবাড়ি বা পারিবারিক পরিবেশের কারণেও মেয়েরা সংসার টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়।সারসংক্ষেপে, ব্যক্তিগত অপরিপক্কতা, পারিবারিক হস্তক্ষেপ এবং সহনশীলতার অভাব—এসবের সমন্বয়েই সাধারণত অল্প বয়সে সংসার ভাঙনের ঘটনা ঘটে।
এছাড়াও স্বামী স্ত্রীর সংসার ভাঙ্গার কিছু কারণ-
১/ স্বামীর থেকেও তার বাবা মায়ের কথা বেশি শুনে।
২/ সবসময় তার বাপের বাড়ির লোকজন এর জন্য স্বামী এবং স্বামীর পরিবারের লোকজনের সাথে বেয়াদবি করে।
৩/ স্বামীর সামর্থ্যের বাহিরে খরচ করে, বেশি বেশি খরচের জন্য স্বামীকে জুলুম করে।
৪/ স্বামীর কথা মতো চলে না, নিজের ইচ্ছায় চলাফেরা করে, স্বামী কিছু বললে: ঝগরা জাটি করে।
৫/স্বামীর সাথে সব সময় বেয়াদবী করে, মুখে মুখে তর্ক করে।
সর্ব অবস্থায় স্বামীকে ভদ-দোয়া করে, কখনোই স্বামীর উপর শুকরিয়া আদায় করে না।
৬। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই অতিরিক্ত ভালেঅবাসা দেখাতে গিয়ে নিজ বাবা-মায়ের সাথে ছলছাতুরি করা।
আইএনবি নিউজ