/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বিদেশি নাগরিকত্ব যাচাইয়ে আইনি নোটিশ Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত Logo জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা Logo চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল ইসি Logo সীমান্ত হত্যা বন্ধে বর্ডার গার্ডকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান Logo পুরান ঢাকার আদালত পাড়ায় কম্পিউটারের দোকানে লেখা হতো মামলার ভুয়া রায় Logo প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ড তৈরিতে ব্যয় ৬০০ টাকা, অর্থের জোগান নিয়ে ধোঁয়াশা Logo রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন Logo সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ‌‘কিছুটা চিন্তিত’ স্পিকার

অতীতে আটকে গেলে উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া যাবে না: দীনেশ ত্রিবেদী

আইএনবি ডেস্ক: ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার।

আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অভিনন্দন জানান।

গণমাধ্যমকর্মীরা প্রশ্ন করলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আমি একজন রাষ্ট্রদূত। আর অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আমরা কিছু বলতে চাই না। আর আমাদের বলা উচিৎও না।

‘কারণ দেশের মানুষ ভালো বুঝবে, সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত সরকার ভালো বুঝবে যে লোকেদের (জনগণ) জন্য কী ভালো। ওইটাই সত্যি কথা,’ বলেন তিনি।

ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য জানতে চাইলে ত্রিবেদী বলেন, ‘আমরা চাই পিপল টু পিপল রিলেশন। আমি না থাকলে, অন্য যে আমার জায়গায় থাকবে, একই জিনিস…।’

দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধির চাওয়া একই যে পিপল টু পিপল কীভাবে আমরা…কেননা আমরা যা সিদ্ধান্ত নেই, তার প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। সাধারণ মানুষের যা কিছুতে ভালো হবে, ওটা (করা) আমাদের দায়িত্ব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা তো সব সময় বলি যে আমরা একটা ড্রিম শেয়ার করি, বর্ডার তো শেয়ার করিই! প্রতিবেশী হিসেবে আমার দায়িত্ব বেড়ে যায়। আর আমি সব সময় বলি, আমরা সমান। কেউ বড় নই, কেউ ছোট নই।’

ত্রিবেদী বলেন, ‘চ্যালেঞ্জে থাকবে। আমাদের অ্যাপ্রিশিয়েট করতে হবে যে বাংলাদেশের কী ডেমোক্র্যাটিক চ্যালেঞ্জে আছে, বাংলাদেশকেও অ্যাপ্রিশিয়েট করতে হবে যে ইন্ডিয়ার কী চ্যালেঞ্জেস। ওই চ্যালেঞ্জেস মাথায় রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

‘অতীতে যদি আমরা আটকে যাই…অতীত আমরা ভুলতে পারি না, কিন্তু আটকে যাওয়ার তো কোনো জায়গা নাই! কেননা আটকে গেলে উন্নয়নের কাজ হবে না,’ যোগ করেন তিনি।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কীভাবে দুই দেশে মুক্তবাণিজ্য এগোতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

শাহে আলম বলেন, এটা একদম সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। আর আমাদের মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একটা আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো নিয়ে উনি অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। ভারতের সাবেক এমপি-মন্ত্রী হিসেবে উনি অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। আমি আমাদের রাজনীতির অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো নিয়ে আমরা বলেছি যে চলতি অর্থবছরে আমাদের নির্বাচনগুলো হবে এবং এই নির্বাচনগুলো আমাদের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এই নির্বাচনগুলো আমাদের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বিদেশি নাগরিকত্ব যাচাইয়ে আইনি নোটিশ

অতীতে আটকে গেলে উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া যাবে না: দীনেশ ত্রিবেদী

আপডেটের সময় : ০৪:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইএনবি ডেস্ক: ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার।

আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অভিনন্দন জানান।

গণমাধ্যমকর্মীরা প্রশ্ন করলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আমি একজন রাষ্ট্রদূত। আর অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আমরা কিছু বলতে চাই না। আর আমাদের বলা উচিৎও না।

‘কারণ দেশের মানুষ ভালো বুঝবে, সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত সরকার ভালো বুঝবে যে লোকেদের (জনগণ) জন্য কী ভালো। ওইটাই সত্যি কথা,’ বলেন তিনি।

ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য জানতে চাইলে ত্রিবেদী বলেন, ‘আমরা চাই পিপল টু পিপল রিলেশন। আমি না থাকলে, অন্য যে আমার জায়গায় থাকবে, একই জিনিস…।’

দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধির চাওয়া একই যে পিপল টু পিপল কীভাবে আমরা…কেননা আমরা যা সিদ্ধান্ত নেই, তার প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। সাধারণ মানুষের যা কিছুতে ভালো হবে, ওটা (করা) আমাদের দায়িত্ব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা তো সব সময় বলি যে আমরা একটা ড্রিম শেয়ার করি, বর্ডার তো শেয়ার করিই! প্রতিবেশী হিসেবে আমার দায়িত্ব বেড়ে যায়। আর আমি সব সময় বলি, আমরা সমান। কেউ বড় নই, কেউ ছোট নই।’

ত্রিবেদী বলেন, ‘চ্যালেঞ্জে থাকবে। আমাদের অ্যাপ্রিশিয়েট করতে হবে যে বাংলাদেশের কী ডেমোক্র্যাটিক চ্যালেঞ্জে আছে, বাংলাদেশকেও অ্যাপ্রিশিয়েট করতে হবে যে ইন্ডিয়ার কী চ্যালেঞ্জেস। ওই চ্যালেঞ্জেস মাথায় রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

‘অতীতে যদি আমরা আটকে যাই…অতীত আমরা ভুলতে পারি না, কিন্তু আটকে যাওয়ার তো কোনো জায়গা নাই! কেননা আটকে গেলে উন্নয়নের কাজ হবে না,’ যোগ করেন তিনি।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কীভাবে দুই দেশে মুক্তবাণিজ্য এগোতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

শাহে আলম বলেন, এটা একদম সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। আর আমাদের মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একটা আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো নিয়ে উনি অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। ভারতের সাবেক এমপি-মন্ত্রী হিসেবে উনি অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। আমি আমাদের রাজনীতির অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো নিয়ে আমরা বলেছি যে চলতি অর্থবছরে আমাদের নির্বাচনগুলো হবে এবং এই নির্বাচনগুলো আমাদের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এই নির্বাচনগুলো আমাদের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট