ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জিয়াউর রহমান হত্যায় জড়িত মেজর (অব.) মোজাফফর ৪৫ বছর পর আটক Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয় অভিমুখে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের লং মার্চ Logo প্রশ্ন আমরা করিনি, করেছে বিগত সরকার :শিক্ষামন্ত্রী Logo সংসদে ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা Logo কুমিল্লায় নৌকায় চড়ে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা Logo বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo চট্টগ্রামে সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি Logo জন্মভূমি ফ্রান্সের বিপক্ষে নামছেন মরক্কোর ৬ ফুটবলার   Logo রাতের মধ্যে ১৯ অঞ্চলে বজ্রঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত Logo  ধেয়ে আসছে ২০০ কিমি গতির তুফান

নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করেই ট্রেনের ছাদে ঘরমুখো মানুষ

আইএনবি ডেস্ক: কমলাপুর রেলস্টেশনে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে ঘরমুখো মানুষের চিরচেনা উপচে পড়া ভিড় শুরু হয়েছে । নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জীবনের ঝুঁকি আর নিরাপত্তা উপেক্ষা করেই ট্রেনের ছাদে চড়ে বসছেন শত শত যাত্রী।

নিয়মনীতি বা প্রশাসনের কড়াকড়ি কোনো কিছুই যেন থামাতে পারছে না এই বিপজ্জনক এমন যাত্রাকে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে সরেজমিনে ঈদযাত্রার এমন ভয়াবহ চিত্র দেখা যায়।

সকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়। যাত্রীদের চাপে প্ল্যাটফর্মে যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

ট্রেন স্টেশনে আসামাত্রই ওঠার জন্য টিকিটধারী ও টিকিটবিহীন সাধারণ মানুষের হুড়োহুড়ি এবং প্রতিযোগিতায় মেতে উঠতে দেখা যায়।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক দৃশ্য দেখা গেছে ট্রেনের বগির সংযোগস্থল এবং ছাদে ওঠার ক্ষেত্রে।

স্টেশনে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মী ও রেলওয়ে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে, কিংবা অনেক ক্ষেত্রে তাদের বাধা উপেক্ষা করেই যাত্রীরা হুড়মুড় করে ছাদে উঠছেন। উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেনগুলোতে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।

ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে বাড়ি ফেরা এক যাত্রী বলেন, ভেতরে প্রচণ্ড ভিড়, নিঃশ্বাস নেওয়ার মতো অবস্থা নেই। পরিবার-পরিজনের সাথে ঈদ করতে বাড়ি যেতেই হবে, তাই বাধ্য হয়েই ছাদে উঠছি।

এদিকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে ছাদ থেকে নেমে যাওয়ার অনুরোধ করা হলেও যাত্রীদের মাঝে তার কোনো প্রভাব ফেলছে না।

এ বিষয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা জানান, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যেন কেউ ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করতে না পারে। কিন্তু ঈদের সময় যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ এবং বাড়ি ফেরার ব্যাকুলতার কারণে অনেক সময় শত চেষ্টা করেও তাদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। সাধারণ মানুষ নিজে সচেতন না হলে শুধু আইন প্রয়োগ করে এই বিপজ্জনক যাত্রা বন্ধ করা কঠিন।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :

ভিসা না দিয়ে অর্থ আত্মসাতে ৪ জনের রিমান্ড, আসামিদের ওপর ভুক্তভোগীদের হামলার চেষ্টা

নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করেই ট্রেনের ছাদে ঘরমুখো মানুষ

আপডেট সময় ১২:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

আইএনবি ডেস্ক: কমলাপুর রেলস্টেশনে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে ঘরমুখো মানুষের চিরচেনা উপচে পড়া ভিড় শুরু হয়েছে । নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জীবনের ঝুঁকি আর নিরাপত্তা উপেক্ষা করেই ট্রেনের ছাদে চড়ে বসছেন শত শত যাত্রী।

নিয়মনীতি বা প্রশাসনের কড়াকড়ি কোনো কিছুই যেন থামাতে পারছে না এই বিপজ্জনক এমন যাত্রাকে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে সরেজমিনে ঈদযাত্রার এমন ভয়াবহ চিত্র দেখা যায়।

সকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়। যাত্রীদের চাপে প্ল্যাটফর্মে যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

ট্রেন স্টেশনে আসামাত্রই ওঠার জন্য টিকিটধারী ও টিকিটবিহীন সাধারণ মানুষের হুড়োহুড়ি এবং প্রতিযোগিতায় মেতে উঠতে দেখা যায়।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক দৃশ্য দেখা গেছে ট্রেনের বগির সংযোগস্থল এবং ছাদে ওঠার ক্ষেত্রে।

স্টেশনে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মী ও রেলওয়ে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে, কিংবা অনেক ক্ষেত্রে তাদের বাধা উপেক্ষা করেই যাত্রীরা হুড়মুড় করে ছাদে উঠছেন। উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেনগুলোতে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।

ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে বাড়ি ফেরা এক যাত্রী বলেন, ভেতরে প্রচণ্ড ভিড়, নিঃশ্বাস নেওয়ার মতো অবস্থা নেই। পরিবার-পরিজনের সাথে ঈদ করতে বাড়ি যেতেই হবে, তাই বাধ্য হয়েই ছাদে উঠছি।

এদিকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে ছাদ থেকে নেমে যাওয়ার অনুরোধ করা হলেও যাত্রীদের মাঝে তার কোনো প্রভাব ফেলছে না।

এ বিষয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা জানান, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যেন কেউ ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করতে না পারে। কিন্তু ঈদের সময় যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ এবং বাড়ি ফেরার ব্যাকুলতার কারণে অনেক সময় শত চেষ্টা করেও তাদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। সাধারণ মানুষ নিজে সচেতন না হলে শুধু আইন প্রয়োগ করে এই বিপজ্জনক যাত্রা বন্ধ করা কঠিন।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট