/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ঘুসের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি ঘুস খাওয়ার জন্যই’

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ইলিয়াসের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তের নামে ঘুষ দাবি, ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রকাশ্যে ঘুষ খাওয়ার পক্ষে সাফাই গেয়ে বক্তব্য দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি উপজেলার ৯ নম্বর রানীগাঁও ইউনিয়নের রানীগাঁও বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার করা একটি মামলার তদন্তে গিয়ে উপস্থিত লোকজনের সামনে তার দেওয়া বিতর্কিত বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে এএসআই ইলিয়াসকে প্রকাশ্যে বলতে শোনা যায়, ‘কিছু রটে দেখেই তো কিছু বটে! আমি যদি বলি পুলিশে চাকরি করি কিন্তু ঘুস খাই না, তবে কি আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব হবো? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুসের টাকা দিয়ে, ঘুস খাওয়ার জন্যই।’ পুলিশের একজন দায়িত্বশীল সদস্যের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যে স্থানীয় জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং এ বিষয়ে তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নামে হয়রানি ও ঘুষ আদায়ের বহু অভিযোগ উঠেছিল, যার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিকার মেলেনি। এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে বিষয়টি তার নজরে এসেছে এবং খোঁজ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করার পাশাপাশি অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে সচেতন মহল অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে এএসআই ইলিয়াসের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :

৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

‘ঘুসের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি ঘুস খাওয়ার জন্যই’

আপডেটের সময় : ১২:০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ইলিয়াসের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তের নামে ঘুষ দাবি, ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রকাশ্যে ঘুষ খাওয়ার পক্ষে সাফাই গেয়ে বক্তব্য দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি উপজেলার ৯ নম্বর রানীগাঁও ইউনিয়নের রানীগাঁও বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার করা একটি মামলার তদন্তে গিয়ে উপস্থিত লোকজনের সামনে তার দেওয়া বিতর্কিত বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে এএসআই ইলিয়াসকে প্রকাশ্যে বলতে শোনা যায়, ‘কিছু রটে দেখেই তো কিছু বটে! আমি যদি বলি পুলিশে চাকরি করি কিন্তু ঘুস খাই না, তবে কি আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব হবো? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুসের টাকা দিয়ে, ঘুস খাওয়ার জন্যই।’ পুলিশের একজন দায়িত্বশীল সদস্যের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যে স্থানীয় জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং এ বিষয়ে তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নামে হয়রানি ও ঘুষ আদায়ের বহু অভিযোগ উঠেছিল, যার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিকার মেলেনি। এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে বিষয়টি তার নজরে এসেছে এবং খোঁজ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করার পাশাপাশি অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে সচেতন মহল অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে এএসআই ইলিয়াসের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট