ইনসাফ মঞ্চ নামে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ

আইএনবি ডেস্ক: ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে ইনসাফ মঞ্চের আহ্বায়ক ও জনতার দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. শামীম কামাল এ ঘোষণা দেন।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশ এক গভীর ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। দেশের সার্বভৌমত্ব, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নানাভাবে প্রশ্নের মুখে। এ বাস্তবতায় হারানো অধিকার পুনরুদ্ধার এবং জাতীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ‘ইনসাফ মঞ্চ’ গঠিত হয়েছে।

ইনসাফ মঞ্চের মূল লক্ষ্য– ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, মৌলিক মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক কর্মসংস্থান এবং ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক ও নির্বাচনি ঐক্য গড়ে তোলা।

এতে বলা হয়, ইনসাফ মঞ্চ কোনো বিদ্যমান রাজনৈতিক জোটের বিকল্প নয়। বরং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব, নৈতিক রাজনীতি এবং ভোটাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে এটি একটি স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও নির্বাচনকালীন ঐক্য হিসেবে কাজ করবে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সম্ভাব্য গণভোট সামনে রেখে স্বতন্ত্র প্রার্থী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক শক্তির সমন্বয়ে এ মঞ্চ গঠিত হয়েছে বলেও ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়।

ঘোষণাপত্রে ইনসাফ মঞ্চের কয়েকটি অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে– সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থী উপস্থাপন, দেশব্যাপী প্রার্থীদের পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো, ডিজিটাল ও সরাসরি প্রচারণার মাধ্যমে সমান সুযোগভিত্তিক নির্বাচনি সহায়তা প্রদান এবং সংবিধান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অনুসরণ। এ ছাড়া বাজার সিন্ডিকেট, বেকারত্ব, দুর্নীতি এবং জনগণের স্বার্থে যেকোনো আধিপত্যবাদী প্রভাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ইনসাফ মঞ্চের প্রতিটি প্রার্থী নিজ নিজ রাজনৈতিক মতাদর্শ ও আইনগত দায়ে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল থাকবেন। বিভাজন নয়, ঐক্যের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে ইনসাফ মঞ্চ।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সম্মিলিত গণতান্ত্রিক জোটের চেয়ারম্যান গাজী মুস্তাফিজ, গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান ড. শাহরিয়ার ইফতেখার, শিক্ষাবিদ মোমেনা খাতুন, জনতা মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আজম খান, গণ আজাদী লীগ চেয়ারম্যান আতাউল্লাহ খান প্রমুখ।

আইএনবি/বিভূঁইয়া