ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারো নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আইএনবি ডেস্ক:স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, মব জাস্টিসের ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। একজন অন্যায় করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করেন। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারো কিন্তু নেই।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে মতবিনিময় শেষে বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে, এটি কীভাবে রোধ করা যায়—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন তারা শিক্ষিত। আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। অপরাধী হলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে। কোনো মানুষ যেন হেনস্তার শিকার না হয়। সেক্ষেত্রে সাংবাদিকরা জনসচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করুন।’

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী কীভাবে ইমেজ ফিরে পায়, চাঁদাবাজি বন্ধ করা, ঘুষ-অনিয়ম রোধে করণীয় কী সেসব বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে। জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠন করার প্রত্যাশা আছে আমাদের।’

তিনি বলেন, ‘সত্যিকার অপরাধীদের বিরুদ্ধেই মামলা হবে। নিরীহ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেটা দেখা হবে। আবার তদন্ত ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার যেন না হয়, সেটার কথাও বলা হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে পুরোনো রূপে মানবিক পুলিশ হতে উজ্জীবিত করে কীভাবে তাদের পুরোনো গৌরব ফিরে পাওয়া যায় এবং জনবান্ধব পুলিশ যেন বাস্তবে হয় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। থানা পর্যায়ে লোকজনকে অনেক সময় বিভিন্ন কাজের জন্য গিয়ে তাদের যে সমস্যা সেটা সমাধান করতে পারে না, সবসময় সমাধান সম্ভবও নয়। কিন্তু তারপরেও কীভাবে সমাধান করা যায় এটা বলা হয়েছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারো নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১০:৩৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আইএনবি ডেস্ক:স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, মব জাস্টিসের ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। একজন অন্যায় করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করেন। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারো কিন্তু নেই।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে মতবিনিময় শেষে বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে, এটি কীভাবে রোধ করা যায়—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন তারা শিক্ষিত। আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। অপরাধী হলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে। কোনো মানুষ যেন হেনস্তার শিকার না হয়। সেক্ষেত্রে সাংবাদিকরা জনসচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করুন।’

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী কীভাবে ইমেজ ফিরে পায়, চাঁদাবাজি বন্ধ করা, ঘুষ-অনিয়ম রোধে করণীয় কী সেসব বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে। জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠন করার প্রত্যাশা আছে আমাদের।’

তিনি বলেন, ‘সত্যিকার অপরাধীদের বিরুদ্ধেই মামলা হবে। নিরীহ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেটা দেখা হবে। আবার তদন্ত ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার যেন না হয়, সেটার কথাও বলা হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে পুরোনো রূপে মানবিক পুলিশ হতে উজ্জীবিত করে কীভাবে তাদের পুরোনো গৌরব ফিরে পাওয়া যায় এবং জনবান্ধব পুলিশ যেন বাস্তবে হয় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। থানা পর্যায়ে লোকজনকে অনেক সময় বিভিন্ন কাজের জন্য গিয়ে তাদের যে সমস্যা সেটা সমাধান করতে পারে না, সবসময় সমাধান সম্ভবও নয়। কিন্তু তারপরেও কীভাবে সমাধান করা যায় এটা বলা হয়েছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট