ঢাকা , রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া থেকে উধাও আড়াই টন ইউরেনিয়াম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লিবিয়া সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকা একটি সাইট থেকে প্রায় আড়াই টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম হারিয়ে গেছে। জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষকরা মঙ্গলবার বিষয়টি জানতে পারেন।

বুধবার আন্তর্জাতিক পারমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি সদস্য দেশগুলোর উদ্দেশ্যে একটি গোপনীয় বিবৃতি দেন।

গত বছর ওই স্থানে পরিদর্শনের পরিকল্পনা থাকলেও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে স্থগিত করতে হয়েছিল। পরে গত ১৪ মার্চ স্থানটি পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা।

আইএইএ পরিদর্শকরা আনুমানিক আড়াই টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম ধারণকারী ১০টি ড্রাম নির্ধারিত স্থানে পাননি। অপসারিত ইউরেনিয়াম কোথায় রয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

সেখানে বলা হয়, ইউরেনিয়ামের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে অজ্ঞতা তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, পাশাপাশি পরমাণু নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করে।

২০০৩ সালে লিবিয়ার তৎকালীন নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি দেশটির পারমাণু অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করে দেন। ২০১১ সালে ন্যাটো সমর্থিত গণঅভ্যুত্থানে তিনি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার পর থেকে লিবিয়ায় অস্থিরতা বিরাজ করছে।

সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়া থেকে উধাও আড়াই টন ইউরেনিয়াম

আপডেট সময় ০৯:৫০:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লিবিয়া সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকা একটি সাইট থেকে প্রায় আড়াই টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম হারিয়ে গেছে। জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষকরা মঙ্গলবার বিষয়টি জানতে পারেন।

বুধবার আন্তর্জাতিক পারমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি সদস্য দেশগুলোর উদ্দেশ্যে একটি গোপনীয় বিবৃতি দেন।

গত বছর ওই স্থানে পরিদর্শনের পরিকল্পনা থাকলেও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে স্থগিত করতে হয়েছিল। পরে গত ১৪ মার্চ স্থানটি পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা।

আইএইএ পরিদর্শকরা আনুমানিক আড়াই টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম ধারণকারী ১০টি ড্রাম নির্ধারিত স্থানে পাননি। অপসারিত ইউরেনিয়াম কোথায় রয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

সেখানে বলা হয়, ইউরেনিয়ামের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে অজ্ঞতা তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, পাশাপাশি পরমাণু নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করে।

২০০৩ সালে লিবিয়ার তৎকালীন নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি দেশটির পারমাণু অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করে দেন। ২০১১ সালে ন্যাটো সমর্থিত গণঅভ্যুত্থানে তিনি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার পর থেকে লিবিয়ায় অস্থিরতা বিরাজ করছে।

সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট