ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে ৪৪১জন কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র পেলেন

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জ জেলার বিদেশ থেকে আসা ৫৬৯ প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মধ্যে ৪৪১ জন ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ী ফিরেছে। এ নিয়ে জেলার নয়টি উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসীর সংখ্যা গিয়ে দাড়ালো ৫৬৯ জন।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, জেলায় মোট ৫৬৯ জন প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে সদর ৪৬জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ৪১, বেলকুচির ৩৯ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ২০, উল্লাপাড়া ১১১ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ৯৭, রায়গঞ্জে ৭৫ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ৬৭, কাজীপুর ২৯ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ২২, শাহাজাদপুর ১৮৫ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ১৪৬, কামারখন্দ ৪৭ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ৩৬, তাড়াশ ১৭ জন, চৌহালী উপজেলায় ২০ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ১২ জন।

সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের পর্যাবেক্ষনে রাখা হয়েছে। তাদের ১৪ দিন পর্যন্ত কোন লক্ষণ ছাড়াই কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়েছে। এর মধ্যে অনেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ী চলে গেছে। তিনি আরো বলেন, জেলা সদরসহ ৯টি উপজেলায় মোট ৬৫টি আইসোলেশন বেড স্থাপন করা হয়েছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে ৪৪১জন কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র পেলেন

আপডেট সময় ০৯:৩১:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জ জেলার বিদেশ থেকে আসা ৫৬৯ প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মধ্যে ৪৪১ জন ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ী ফিরেছে। এ নিয়ে জেলার নয়টি উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসীর সংখ্যা গিয়ে দাড়ালো ৫৬৯ জন।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, জেলায় মোট ৫৬৯ জন প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে সদর ৪৬জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ৪১, বেলকুচির ৩৯ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ২০, উল্লাপাড়া ১১১ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ৯৭, রায়গঞ্জে ৭৫ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ৬৭, কাজীপুর ২৯ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ২২, শাহাজাদপুর ১৮৫ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ১৪৬, কামারখন্দ ৪৭ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ৩৬, তাড়াশ ১৭ জন, চৌহালী উপজেলায় ২০ জন। ছাড়পত্র নিয়েছে ১২ জন।

সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের পর্যাবেক্ষনে রাখা হয়েছে। তাদের ১৪ দিন পর্যন্ত কোন লক্ষণ ছাড়াই কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়েছে। এর মধ্যে অনেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ী চলে গেছে। তিনি আরো বলেন, জেলা সদরসহ ৯টি উপজেলায় মোট ৬৫টি আইসোলেশন বেড স্থাপন করা হয়েছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট