ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাগ্নিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদে মামাকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৫

রংপুর প্রতিনিধি: ভাগ্নিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় রংপুর জেলার,লালপুর উপজেলার মনিহারপুর গ্রামের মামাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বখাটেরা। ২৪ জনের নামে মামলা দায়ের ও ৫ জনকে আটকরেছে পুলিশ।

আরজেত আলীর ছেলে সুমন (১৯) একই গ্রামের সাজাহান আলীর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী বৈশাখীকে গত ৬ মাস ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিলো। সোমবার বিকালে ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার সময় সুমন তার হাত ধরে টানা হেঁচড়া করে। এ ঘটনার জেরে মঙ্গলবার দুপুরে সুমনকে শাসন করে স্কুলছাত্রীর বাবা সাজাহান আলী ও স্কুলছাত্রীর ভাই তুষার (২২)।

স্কুলছাত্রীর ভাই তুষার বলেন, দুপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যায় মনিহারপুর বাজার থেকে আমার বাবা বাড়ি ফেরার সময় ভোলার মোড়ে তাকে মারধর করে সুমনসহ তার লোকজন। এ খবর পেয়ে আমি ও আমার মামা নাজমুল হক (২৮) একটি মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই।

আমরা সেখানে পৌঁছামাত্র সুমনের নেতৃত্বে-মিন্টু, পানা, রানা, সুলতান,সম্রাট, আরিফ, কামরুল, মিঠু ও নাজমুল এসে আমাদের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট শুরু করে এবং মামার দুই হাতের কবজিতে হাসুয়া দিয়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা স্কুলছাত্রীর বাবা সাজাহান আলী ও মামা নাজমুল ইসলামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নাজমুলকে মৃত ঘোষণা করেন। বাঘা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক কামরুন্নাহার কান্তা জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে নাজমুল হককে হাসপাতালে নিয়ে আাসার পথে তিনি রাস্তায় মারা যান।

বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, ২৪ জনের নামে মামলা দায়ের ও ৫ জন আসামিকে আটক করা হয়েছে ।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদে মামাকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৫

আপডেট সময় ১০:১৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২০

রংপুর প্রতিনিধি: ভাগ্নিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় রংপুর জেলার,লালপুর উপজেলার মনিহারপুর গ্রামের মামাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বখাটেরা। ২৪ জনের নামে মামলা দায়ের ও ৫ জনকে আটকরেছে পুলিশ।

আরজেত আলীর ছেলে সুমন (১৯) একই গ্রামের সাজাহান আলীর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী বৈশাখীকে গত ৬ মাস ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিলো। সোমবার বিকালে ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার সময় সুমন তার হাত ধরে টানা হেঁচড়া করে। এ ঘটনার জেরে মঙ্গলবার দুপুরে সুমনকে শাসন করে স্কুলছাত্রীর বাবা সাজাহান আলী ও স্কুলছাত্রীর ভাই তুষার (২২)।

স্কুলছাত্রীর ভাই তুষার বলেন, দুপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যায় মনিহারপুর বাজার থেকে আমার বাবা বাড়ি ফেরার সময় ভোলার মোড়ে তাকে মারধর করে সুমনসহ তার লোকজন। এ খবর পেয়ে আমি ও আমার মামা নাজমুল হক (২৮) একটি মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই।

আমরা সেখানে পৌঁছামাত্র সুমনের নেতৃত্বে-মিন্টু, পানা, রানা, সুলতান,সম্রাট, আরিফ, কামরুল, মিঠু ও নাজমুল এসে আমাদের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট শুরু করে এবং মামার দুই হাতের কবজিতে হাসুয়া দিয়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা স্কুলছাত্রীর বাবা সাজাহান আলী ও মামা নাজমুল ইসলামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নাজমুলকে মৃত ঘোষণা করেন। বাঘা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক কামরুন্নাহার কান্তা জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে নাজমুল হককে হাসপাতালে নিয়ে আাসার পথে তিনি রাস্তায় মারা যান।

বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, ২৪ জনের নামে মামলা দায়ের ও ৫ জন আসামিকে আটক করা হয়েছে ।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট