ঢাকা , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেরি চলাচলের সব নৌরুটে অনুমতি প্রদান

আইএনবি ডেস্ক: নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ফেরি চলাচলের অনুমতি দিয়েছে । ঈদে ঘুরমুখো যাত্রীদের ঘাটে দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সব রুটে এ অনুমতি দেয়া হয়।

বিআইডব্লিউটিসির মহাব্যবস্থাপক আশিকুজ্জামান সোমবার (১০ মে) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।

এসময় বিআইডব্লিউটিসির মহাব্যবস্থাপক আশিকুজ্জামান বলেন, ‌এখন থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক। ঘাটে আটকে পড়া কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করে দিয়েছে। এখন সব ধরনের ফেরি চলাচল করবে। তাই ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের আর বিড়ম্বনা পোহাতে হবে না।

এর আগে, দু’দিন (৮ মে-৯ মে) বন্ধ রাখার পর সোমবার (১০ মে) পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার, মাওয়া ঘাটে ফেরি চলাচলের অনুমতি ছিল না। তবে দিনেরবেলায় শুধু জরুরি পরিসেবার জন্য দুটি ফেরিতে যানবাহন পারাপার চালু রাখা হয়েছিল।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানা যায়, বর্তমানে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে সচল রয়েছে ১৬টি ফেরি। এর মধ্যে তিনটি ফেরি দিনে চলাচল করে লাশবাহী গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি প্রয়োজনের গাড়ির জন্য। আর রাতে প্রয়োজন অনুযায়ী চলে মালবাহী ফেরি। গত রোববার ঘরমুখী মানুষের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঘাটে আটকা পড়ে ৩৫টি লাশবাহী গাড়ি। জরুরি সেবা হওয়ায় ফেরিতে লাশ পরিবহন করতে গিয়ে দেখা গেছে হুড়মুড়িয়ে উঠে যাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরাও। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজন অনুসারে ফেরি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফেরি চলাচলের সব নৌরুটে অনুমতি প্রদান

আপডেট সময় ০৬:২৫:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১

আইএনবি ডেস্ক: নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ফেরি চলাচলের অনুমতি দিয়েছে । ঈদে ঘুরমুখো যাত্রীদের ঘাটে দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সব রুটে এ অনুমতি দেয়া হয়।

বিআইডব্লিউটিসির মহাব্যবস্থাপক আশিকুজ্জামান সোমবার (১০ মে) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।

এসময় বিআইডব্লিউটিসির মহাব্যবস্থাপক আশিকুজ্জামান বলেন, ‌এখন থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক। ঘাটে আটকে পড়া কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করে দিয়েছে। এখন সব ধরনের ফেরি চলাচল করবে। তাই ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের আর বিড়ম্বনা পোহাতে হবে না।

এর আগে, দু’দিন (৮ মে-৯ মে) বন্ধ রাখার পর সোমবার (১০ মে) পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার, মাওয়া ঘাটে ফেরি চলাচলের অনুমতি ছিল না। তবে দিনেরবেলায় শুধু জরুরি পরিসেবার জন্য দুটি ফেরিতে যানবাহন পারাপার চালু রাখা হয়েছিল।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানা যায়, বর্তমানে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে সচল রয়েছে ১৬টি ফেরি। এর মধ্যে তিনটি ফেরি দিনে চলাচল করে লাশবাহী গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি প্রয়োজনের গাড়ির জন্য। আর রাতে প্রয়োজন অনুযায়ী চলে মালবাহী ফেরি। গত রোববার ঘরমুখী মানুষের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঘাটে আটকা পড়ে ৩৫টি লাশবাহী গাড়ি। জরুরি সেবা হওয়ায় ফেরিতে লাশ পরিবহন করতে গিয়ে দেখা গেছে হুড়মুড়িয়ে উঠে যাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরাও। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজন অনুসারে ফেরি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট