/* */
Dhaka , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo পুরান ঢাকার আদালত পাড়ায় কম্পিউটারের দোকানে লেখা হতো মামলার ভুয়া রায় Logo প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ড তৈরিতে ব্যয় ৬০০ টাকা, অর্থের জোগান নিয়ে ধোঁয়াশা Logo রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন Logo সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ‌‘কিছুটা চিন্তিত’ স্পিকার Logo সংসদ অধিবেশন ঘিরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ Logo ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার Logo রোববার বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি Logo শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী, ২ প্রতিমন্ত্রী Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন মির্জা ফখরুল ভোট দিতে পারলেও পারছেন না অলি আহমেদ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আজ বিকেল ৪টা

পাগলকে খুঁজতে ফায়ার সার্ভিসে ফোন!

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:বৃহস্পতিবার রাত থেকে বাড়ির মানসিক বিকারগ্রস্ত প্রবীণ সদস্য সোহবার আলীকে (৬১) খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার সকাল ৯টায় তাঁর পরিবারের সদস্য আজাহার আলী মাস্টার কাজিপুর ফায়ার সার্ভিসে ফোন করে বিষয়টি জানিয়ে সহায়তা চান। সঙ্গে সঙ্গে কাজিপুর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ফরিদ উদ্দিন চলে যান ঘটনাস্থল উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের পাঁচগাছি গ্রামে। সেখানে হাজির হন সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী খান ও স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলাম বাবু। গ্রামের উৎসুক জনগণও ভিড় করেন।

এসময় ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জকে ওই পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় তাদের নিখোঁজ সদস্যটি বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে গিয়ে থাকতে পারে। আধাঘণ্টা ধরে পুকুরে তল্লাশি করেন ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা। তবে পুকুরে খুঁজে পাওয়া যায়নি সোহরাব আলীকে।

এরপর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আশপাশের ছোপঝাঁড়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। দেড় ঘণ্টা খোঁজার পরে বাড়ির পাশের জঙ্গলের মধ্যে এক গাছের ডালে পাওয়া গেলো নিখোঁজ সোহরাব আলীকে। পরে সেখান থেকে তাকে নামিয়ে আনা হয়। সারারাতের বৃষ্টি আর মশার কামড়ে তার শরীর ফুলে গেছে। পরে পরিবারের নিকট তাঁকে হস্তান্তর করা হয়।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাগলকে খুঁজতে ফায়ার সার্ভিসে ফোন!

আপডেটের সময় : ১০:০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:বৃহস্পতিবার রাত থেকে বাড়ির মানসিক বিকারগ্রস্ত প্রবীণ সদস্য সোহবার আলীকে (৬১) খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার সকাল ৯টায় তাঁর পরিবারের সদস্য আজাহার আলী মাস্টার কাজিপুর ফায়ার সার্ভিসে ফোন করে বিষয়টি জানিয়ে সহায়তা চান। সঙ্গে সঙ্গে কাজিপুর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ফরিদ উদ্দিন চলে যান ঘটনাস্থল উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের পাঁচগাছি গ্রামে। সেখানে হাজির হন সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী খান ও স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলাম বাবু। গ্রামের উৎসুক জনগণও ভিড় করেন।

এসময় ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জকে ওই পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় তাদের নিখোঁজ সদস্যটি বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে গিয়ে থাকতে পারে। আধাঘণ্টা ধরে পুকুরে তল্লাশি করেন ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা। তবে পুকুরে খুঁজে পাওয়া যায়নি সোহরাব আলীকে।

এরপর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আশপাশের ছোপঝাঁড়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। দেড় ঘণ্টা খোঁজার পরে বাড়ির পাশের জঙ্গলের মধ্যে এক গাছের ডালে পাওয়া গেলো নিখোঁজ সোহরাব আলীকে। পরে সেখান থেকে তাকে নামিয়ে আনা হয়। সারারাতের বৃষ্টি আর মশার কামড়ে তার শরীর ফুলে গেছে। পরে পরিবারের নিকট তাঁকে হস্তান্তর করা হয়।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট