ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জোর করে মাদরাসায় ভর্তি করায়, ছাত্রের আত্মহত্যা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া দারুল উলুম ইসলামিয়া একাডেমির টয়লেট থেকে ইমন হোসেন (১০) নামে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ইমন দত্তপাড়া ইউনিয়নের বঙ্গেশপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। সে ওই মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পুলিশ ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, চারদিন আগে ইমনকে মাদরাসাটিতে ভর্তি করা হয়। কিন্তু সে মাদরাসায় পড়তে চায়নি। তার মা নাজমা বেগম জোর করে ছেলেকে মাদরাসায় ভর্তি করান। শুক্রবার ফজর নামাজ পড়ে ইমন সবার সঙ্গে নাস্তা করে। এরপরে সে টয়লেটে গিয়ে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে রশি ঝুলিয়ে গলায় ফাঁস দেয়।

মাদরাসার বাবুর্চি ভেন্টিলেটরের সঙ্গে রশি দেখে চিৎকার করে সবাইকে ডাকেন। পরে শিক্ষকরা এসে টয়লেটের দরজা ভেঙে মুমূর্ষু অবস্থায় ইমনকে উদ্ধার করেন। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাদরাসার পরিচালক মাহমুদুল হাসান বলেন, ইমন মাদরাসায় ভর্তি হতে চায়নি। তবুও চারদিন আগে তার মা জোর করে তাকে ভর্তি করিয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম বলেন, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতাল যাই। পরে খোঁজ নিয়ে অপমৃত্যুর ঘটনা বলে জানতে পেরেছি। তবে ছাত্রের পরিবার থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জোর করে মাদরাসায় ভর্তি করায়, ছাত্রের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০৮:১৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২০

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া দারুল উলুম ইসলামিয়া একাডেমির টয়লেট থেকে ইমন হোসেন (১০) নামে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ইমন দত্তপাড়া ইউনিয়নের বঙ্গেশপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। সে ওই মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পুলিশ ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, চারদিন আগে ইমনকে মাদরাসাটিতে ভর্তি করা হয়। কিন্তু সে মাদরাসায় পড়তে চায়নি। তার মা নাজমা বেগম জোর করে ছেলেকে মাদরাসায় ভর্তি করান। শুক্রবার ফজর নামাজ পড়ে ইমন সবার সঙ্গে নাস্তা করে। এরপরে সে টয়লেটে গিয়ে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে রশি ঝুলিয়ে গলায় ফাঁস দেয়।

মাদরাসার বাবুর্চি ভেন্টিলেটরের সঙ্গে রশি দেখে চিৎকার করে সবাইকে ডাকেন। পরে শিক্ষকরা এসে টয়লেটের দরজা ভেঙে মুমূর্ষু অবস্থায় ইমনকে উদ্ধার করেন। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাদরাসার পরিচালক মাহমুদুল হাসান বলেন, ইমন মাদরাসায় ভর্তি হতে চায়নি। তবুও চারদিন আগে তার মা জোর করে তাকে ভর্তি করিয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম বলেন, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতাল যাই। পরে খোঁজ নিয়ে অপমৃত্যুর ঘটনা বলে জানতে পেরেছি। তবে ছাত্রের পরিবার থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট