ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাল সনদ দিয়ে ৮ বছর ধরে প্রভাষক

যশোর প্রতিনিধি: বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদে চাকরি করার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে । এনটিআরসিএ’র সহকারী পরিচালক তাজুল ইসলাম অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় মামলার জন্য গত ৬ অক্টোবর কলেজ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তরিকুল ইসলাম রিপন ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখিয়ে ২০১১ সালে চৌগাছা ডিগ্রি কলেজের কারিগরি শাখার ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ পান। ওই বছরই তিনি এমপিওভুক্ত হন। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ছিল ৪২৩১২৬০০, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৯০০৩১১। পরে চৌগাছা ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণ হয়।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে তরিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

চৌগাছা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহে এনটিআরসিএ’র চিঠি পেয়েছি। ব্যক্তির অপরাধের দায় অধ্যক্ষ কিংবা প্রতিষ্ঠান বহন করবে না। দ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাল সনদ দিয়ে ৮ বছর ধরে প্রভাষক

আপডেট সময় ০৩:৫৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৯

যশোর প্রতিনিধি: বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদে চাকরি করার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে । এনটিআরসিএ’র সহকারী পরিচালক তাজুল ইসলাম অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় মামলার জন্য গত ৬ অক্টোবর কলেজ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তরিকুল ইসলাম রিপন ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখিয়ে ২০১১ সালে চৌগাছা ডিগ্রি কলেজের কারিগরি শাখার ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ পান। ওই বছরই তিনি এমপিওভুক্ত হন। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ছিল ৪২৩১২৬০০, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৯০০৩১১। পরে চৌগাছা ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণ হয়।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে তরিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

চৌগাছা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহে এনটিআরসিএ’র চিঠি পেয়েছি। ব্যক্তির অপরাধের দায় অধ্যক্ষ কিংবা প্রতিষ্ঠান বহন করবে না। দ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট