/* */
Dhaka , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ড তৈরিতে ব্যয় ৬০০ টাকা, অর্থের জোগান নিয়ে ধোঁয়াশা Logo রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন Logo সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ‌‘কিছুটা চিন্তিত’ স্পিকার Logo সংসদ অধিবেশন ঘিরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ Logo ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার Logo রোববার বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি Logo শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী, ২ প্রতিমন্ত্রী Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন মির্জা ফখরুল ভোট দিতে পারলেও পারছেন না অলি আহমেদ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আজ বিকেল ৪টা Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন: ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন কূটনৈতিক পরীক্ষা

আজ ভোটার হালনাগাদের তথ্য সংগ্রহ শেষ

আইএনবি ডেস্ক: আজ (৩ ফেব্রুয়ারি) শেষ হচ্ছে ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম ।

আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি গ্রহণ।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন সহায়তা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই কার্যক্রম চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত।

ইসি ২০ জানুয়ারি থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘তথ্য সংগ্রহের কাজ আজ শেষ হচ্ছে। এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও আইরিশ স্ক্যান করা হবে, যা চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত।’

ভোটার হালনাগাদের জন্য ৬৫ হাজার জনবল নিয়োগ করা হয়েছে। এই কর্মীরা দেশের মোট জনসংখ্যার ১ দশমিক ৫২ শতাংশ নাগরিককে নতুন ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করবেন।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ হালনাগাদে ভোটার সংখ্যা: ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। এবারের বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহে যোগ হতে পারে: ১৯ লাখ নতুন ভোটার। ২০২২ সালে নেওয়া তিন বছরের তথ্যের শেষ ধাপে যুক্ত হতে পারে: ১৮ লাখ নতুন ভোটার।

ভোটার তালিকা হালনাগাদের ইতিহাস

২০০৭-২০০৮ সালে ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর এখন পর্যন্ত ছয়বার হালনাগাদ করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী হালনাগাদের বছর:
-২০০৯-২০১০
-২০১২-২০১৩
-২০১৫-২০১৬
-২০১৭-২০১৮
-২০১৯-২০২০
-২০২২-২০২৩

ভোটার হতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

-১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্মসনদ।
-জাতীয়তা বা নাগরিকত্ব সনদের কপি।
-নিকট আত্মীয়ের এনআইডি (পিতা-মাতা, ভাই-বোন ইত্যাদি)।
-এসএসসি/দাখিল/অষ্টম শ্রেণির সনদের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
-ইউটিলিটি বিলের কপি (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি/চৌকিদারি রশিদ ইত্যাদি)।

ভোটার হওয়ার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে-

-নাম, পিতামাতার নাম ও জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লিখতে হবে। (ভোটার তালিকায় সঠিকভাবে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে সচেতন থাকতে হবে।)
-জন্ম তারিখ জন্ম সনদ বা শিক্ষা সনদের সঙ্গে মিল থাকতে হবে।
-স্থায়ী ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।
-একাধিকবার ভোটার হওয়া যাবে না (এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ)।

নির্বাচন কমিশন সতর্ক করে জানিয়েছে, ‘দ্বৈত ভোটার হওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে এটি সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব।’

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আজ ভোটার হালনাগাদের তথ্য সংগ্রহ শেষ

আপডেটের সময় : ১০:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আইএনবি ডেস্ক: আজ (৩ ফেব্রুয়ারি) শেষ হচ্ছে ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম ।

আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি গ্রহণ।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন সহায়তা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই কার্যক্রম চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত।

ইসি ২০ জানুয়ারি থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘তথ্য সংগ্রহের কাজ আজ শেষ হচ্ছে। এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও আইরিশ স্ক্যান করা হবে, যা চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত।’

ভোটার হালনাগাদের জন্য ৬৫ হাজার জনবল নিয়োগ করা হয়েছে। এই কর্মীরা দেশের মোট জনসংখ্যার ১ দশমিক ৫২ শতাংশ নাগরিককে নতুন ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করবেন।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ হালনাগাদে ভোটার সংখ্যা: ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। এবারের বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহে যোগ হতে পারে: ১৯ লাখ নতুন ভোটার। ২০২২ সালে নেওয়া তিন বছরের তথ্যের শেষ ধাপে যুক্ত হতে পারে: ১৮ লাখ নতুন ভোটার।

ভোটার তালিকা হালনাগাদের ইতিহাস

২০০৭-২০০৮ সালে ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর এখন পর্যন্ত ছয়বার হালনাগাদ করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী হালনাগাদের বছর:
-২০০৯-২০১০
-২০১২-২০১৩
-২০১৫-২০১৬
-২০১৭-২০১৮
-২০১৯-২০২০
-২০২২-২০২৩

ভোটার হতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

-১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্মসনদ।
-জাতীয়তা বা নাগরিকত্ব সনদের কপি।
-নিকট আত্মীয়ের এনআইডি (পিতা-মাতা, ভাই-বোন ইত্যাদি)।
-এসএসসি/দাখিল/অষ্টম শ্রেণির সনদের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
-ইউটিলিটি বিলের কপি (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি/চৌকিদারি রশিদ ইত্যাদি)।

ভোটার হওয়ার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে-

-নাম, পিতামাতার নাম ও জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লিখতে হবে। (ভোটার তালিকায় সঠিকভাবে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে সচেতন থাকতে হবে।)
-জন্ম তারিখ জন্ম সনদ বা শিক্ষা সনদের সঙ্গে মিল থাকতে হবে।
-স্থায়ী ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।
-একাধিকবার ভোটার হওয়া যাবে না (এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ)।

নির্বাচন কমিশন সতর্ক করে জানিয়েছে, ‘দ্বৈত ভোটার হওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে এটি সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব।’

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট