ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

হবিগঞ্জে ৯ বছরের শিশুকে বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (৯) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৫ মে) বিকেলে মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

ভুক্তভোগী শিশু ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নে ওই শিশু বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাচ্ছিল। পথে একই এলাকার মৃত কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া (৩৫) ও তার এক সহযোগী শিশুটিকে তুলে নিয়ে পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরিবারের স্বজনরা জানান, লোকলজ্জা ও ভয়ে তারা শুরুতে ঘটনাটি গোপন রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শিশুটির শারীরিক অবস্থা গুরুতর অবনতি হওয়ায় পরদিন সোমবার তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

 

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে। বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :

পানির নিচে ২০ ঘণ্টা শুটিং, ‘পাগলামি’ বললেন রাশমিকা

হবিগঞ্জে ৯ বছরের শিশুকে বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

আপডেট সময় ০৩:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (৯) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৫ মে) বিকেলে মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

ভুক্তভোগী শিশু ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নে ওই শিশু বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাচ্ছিল। পথে একই এলাকার মৃত কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া (৩৫) ও তার এক সহযোগী শিশুটিকে তুলে নিয়ে পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরিবারের স্বজনরা জানান, লোকলজ্জা ও ভয়ে তারা শুরুতে ঘটনাটি গোপন রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শিশুটির শারীরিক অবস্থা গুরুতর অবনতি হওয়ায় পরদিন সোমবার তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

 

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে। বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট