ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর কারাগারে এক আসামির ফাঁসি কার্যকর

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী কারাগারে বুধবার (৩০ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১০টা ১ মিনিটে রকিবর রহমান ওরফে ওকিবর নামে গোদাগাড়ী উপজেলার বাসিন্দা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। তার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার নিমতলা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।

১৯৯৯ সালের একটি হত্যা মামলায় রকিবর রহমানের মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। এরপর তার প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নাকচ হলে বুধবার দিবাগত রাতে ফাঁসি কার্যকর করে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল । তিনি জানান, ফাঁসি কার্যকরের পর লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২ জানুয়ারি খোরশেদা খাতুন নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় খোরশেদার বাবা আব্দুল জব্বার সাতজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন গোদাগাড়ী থানায়।

এ মামলায় শুনানি শেষে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত ২০০৪ সালের ৮ আগস্ট চার আসামের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। তারা হলো, হেলাল উদ্দিন, রকিবর রহমান, লাল মোহাম্মদ ও বাছির উদ্দিন। তাদের মধ্যে বুধবার রাতে রকিবুর রহমানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীর কারাগারে এক আসামির ফাঁসি কার্যকর

আপডেট সময় ০৫:৩২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী কারাগারে বুধবার (৩০ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১০টা ১ মিনিটে রকিবর রহমান ওরফে ওকিবর নামে গোদাগাড়ী উপজেলার বাসিন্দা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। তার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার নিমতলা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।

১৯৯৯ সালের একটি হত্যা মামলায় রকিবর রহমানের মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। এরপর তার প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নাকচ হলে বুধবার দিবাগত রাতে ফাঁসি কার্যকর করে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল । তিনি জানান, ফাঁসি কার্যকরের পর লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২ জানুয়ারি খোরশেদা খাতুন নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় খোরশেদার বাবা আব্দুল জব্বার সাতজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন গোদাগাড়ী থানায়।

এ মামলায় শুনানি শেষে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত ২০০৪ সালের ৮ আগস্ট চার আসামের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। তারা হলো, হেলাল উদ্দিন, রকিবর রহমান, লাল মোহাম্মদ ও বাছির উদ্দিন। তাদের মধ্যে বুধবার রাতে রকিবুর রহমানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট