ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার Logo রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে বঙ্গভবন ঘিরে কৌতূহল Logo ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে কথা না বলায় ক্যাটরিনার ফ্যান পেজ বন্ধ Logo জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা Logo মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ আটক Logo হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু Logo সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের ফ্ল্যাটে মিলেছে ৩০০ কোট, ৫৩২ টাই ও ১০০ কামিজ Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার

রংপুরে মোমবাতি জ্বালিয়ে এসএসসি পরীক্ষা, কেন্দ্রসচিবকে দায়ী করলেন ইউএনও

রংপুর প্রতিনিধি:রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা দিতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রসচিবের গাফিলতিকেই দায়ী করেছেন ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার অংশ হিসেবে রোববার (এস ২৬ এপ্রিল) ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রটির ১৭টি কক্ষে মোট ৮৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তবে সকাল থেকেই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয় তারা।

কেন্দ্রসচিব ও প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাহেদুল আলম জানান, পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা থাকলেও বিদ্যুৎ অফিসে একাধিকবার যোগাযোগ করেও সমাধান পাওয়া যায়নি। পরে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে বড় মোমবাতির সাহায্যে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১–এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, কেন্দ্রটি বলদিপুকুর সাবস্টেশনের আওতায় রংপুর গ্রিডের লাইনের সঙ্গে যুক্ত। ওই লাইনে আগুন লাগায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে শঠিবাড়ী গ্রিড থেকে বিকল্প সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, কেন্দ্রসচিব বিষয়টি আগে থেকে তাকে অবহিত করেননি। পরে জানার পর তিনি দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, আগাম তথ্য পেলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে এলইডি লাইট, মোমবাতি ও চার্জার লাইটসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল কুয়াকাটা সাগর, উপকূলে ফিরেছে শত শত ট্রলার

রংপুরে মোমবাতি জ্বালিয়ে এসএসসি পরীক্ষা, কেন্দ্রসচিবকে দায়ী করলেন ইউএনও

আপডেট সময় ০৪:৩৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

রংপুর প্রতিনিধি:রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা দিতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রসচিবের গাফিলতিকেই দায়ী করেছেন ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার অংশ হিসেবে রোববার (এস ২৬ এপ্রিল) ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রটির ১৭টি কক্ষে মোট ৮৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তবে সকাল থেকেই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয় তারা।

কেন্দ্রসচিব ও প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাহেদুল আলম জানান, পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা থাকলেও বিদ্যুৎ অফিসে একাধিকবার যোগাযোগ করেও সমাধান পাওয়া যায়নি। পরে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে বড় মোমবাতির সাহায্যে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১–এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, কেন্দ্রটি বলদিপুকুর সাবস্টেশনের আওতায় রংপুর গ্রিডের লাইনের সঙ্গে যুক্ত। ওই লাইনে আগুন লাগায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে শঠিবাড়ী গ্রিড থেকে বিকল্প সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, কেন্দ্রসচিব বিষয়টি আগে থেকে তাকে অবহিত করেননি। পরে জানার পর তিনি দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, আগাম তথ্য পেলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে এলইডি লাইট, মোমবাতি ও চার্জার লাইটসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট