ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয় অভিমুখে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের লং মার্চ Logo প্রশ্ন আমরা করিনি, করেছে বিগত সরকার :শিক্ষামন্ত্রী Logo সংসদে ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা Logo কুমিল্লায় নৌকায় চড়ে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা Logo বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo চট্টগ্রামে সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি Logo জন্মভূমি ফ্রান্সের বিপক্ষে নামছেন মরক্কোর ৬ ফুটবলার   Logo রাতের মধ্যে ১৯ অঞ্চলে বজ্রঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত Logo  ধেয়ে আসছে ২০০ কিমি গতির তুফান Logo অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি ও পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলায় দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছে।

বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক

ফাইল ছবি

আইএনবি ডেস্ক: সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি ও পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলায় দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছে। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিচার চলছে। বাকি ৫টি মামলার তদন্ত চলমান।

রবিবার বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের উপ-পরিচালক (মিডিয়া) আকতারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

দুদকের এই কর্মকর্তা বলেন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের সহায়তায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ১২ জুন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সরকার।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৬টি মামলা রয়েছে উল্লেখ করে আকতারুল ইসলাম বলেন, এর মধ্যে ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ইতিমধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং সেই মামলার বিচার চলছে। বাকি ৫টি মামলার তদন্ত চলমান। এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রায় ৭৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আকতারুল ইসলাম বলেন, সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার পরও বেনজীর আহমেদ জালিয়াতির মাধ্যমে একাধিক বেসরকারি পাসপোর্ট গ্রহণ করেছিলেন।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর গত বছর অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং অর্থনৈতিক অনিয়মের অভিযোগে একাধিক মামলা করা হয়।

মামলাগুলোর তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতের নির্দেশে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের নামে থাকা বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়। এর মধ্যে ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, বিভিন্ন জেলায় শত শত বিঘা জমি, কোম্পানির শেয়ার, ব্যাংক হিসাব ও সঞ্চয়পত্র রয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেন আদালত। পরে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :

এক দিনে হাম সন্দেহে ৫ জনের মৃত্যু

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি ও পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলায় দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছে।

বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক

আপডেট সময় ১২:৫৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

আইএনবি ডেস্ক: সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি ও পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলায় দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছে। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিচার চলছে। বাকি ৫টি মামলার তদন্ত চলমান।

রবিবার বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের উপ-পরিচালক (মিডিয়া) আকতারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

দুদকের এই কর্মকর্তা বলেন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের সহায়তায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ১২ জুন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সরকার।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৬টি মামলা রয়েছে উল্লেখ করে আকতারুল ইসলাম বলেন, এর মধ্যে ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ইতিমধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং সেই মামলার বিচার চলছে। বাকি ৫টি মামলার তদন্ত চলমান। এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রায় ৭৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আকতারুল ইসলাম বলেন, সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার পরও বেনজীর আহমেদ জালিয়াতির মাধ্যমে একাধিক বেসরকারি পাসপোর্ট গ্রহণ করেছিলেন।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর গত বছর অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং অর্থনৈতিক অনিয়মের অভিযোগে একাধিক মামলা করা হয়।

মামলাগুলোর তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতের নির্দেশে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের নামে থাকা বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়। এর মধ্যে ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, বিভিন্ন জেলায় শত শত বিঘা জমি, কোম্পানির শেয়ার, ব্যাংক হিসাব ও সঞ্চয়পত্র রয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেন আদালত। পরে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট