ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন Logo বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারনে দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসি বৈঠক Logo সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার Logo রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে বঙ্গভবন ঘিরে কৌতূহল Logo ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে কথা না বলায় ক্যাটরিনার ফ্যান পেজ বন্ধ Logo জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা Logo মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ আটক

ডিসেম্বরেই আসছে মেট্রোরেলের ‘একক যাত্রা’র ২০ হাজার কার্ড

আইএনবি ডেস্ক: দ্রুতগতির গণপরিবহন মেট্রোরেলের বিভিন্ন স্টেশনে ‘একক যাত্রা’র কার্ড সংকটে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০ হাজার কার্ড চলতি ডিসেম্বর মাসেই আসছে বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

এদিকে কার্ড সংকট মোকাবিলায় ডিএমটিসিএল নতুন করে একক যাত্রার কার্ড সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়। নতুন উদ্যোগে ৪ লাখ নতুন কার্ড অর্ডার করা হয় জাপানে। এর মধ্যে প্রথম ২০ হাজার কার্ড গত নভেম্বর মাসে দেশে আসে।

ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, মেট্রোরেল যখন চালু হয় তখন স্টেশনগুলোতে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪১টি একক যাত্রার কার্ড দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক বছর ৯ মাস পর গত অক্টোবর মাসে জানানো হয় ২ লাখের বেশি একক যাত্রার কার্ড হারিয়ে গেছে। কারণ হিসেবে বলা হয়, যাত্রীরা অনেক কার্ড সঙ্গে নিয়ে গেছেন, আবার কিছু কার্ড নষ্ট হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তখন প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে যাওয়া কার্ডগুলো যাত্রীদের ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানায়। এজন্য মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে একটি করে বক্সও দেওয়া হয়েছিল।

মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-৬ এর প্রকল্প পরিচালক মো. জাকারিয়া বলেন, শুরুতে এমআরটি পাসসহ ৩ লাখ ১৪ হাজার টিকিট (কার্ড) আনা হয়েছিল। সেখান থেকে এখন টিকিট আছে মাত্র ৪০ হাজার। অনেক যাত্রী ট্রেনে বসেই টিকিট ধনুকের মতো বাঁকা করেন। এতে টিকিটের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।

স্টেশনগুলোতে কার্ড সংকট সম্পর্কে তিনি বলেন, সকালে বেশিরভাগ যাত্রী মতিঝিল-সচিবালয় যান। ফলে টিকিটগুলো সব ওইদিকে চলে যাচ্ছে। উত্তরার এ পাশ থেকে যদি ২০০ লোক যায়, তবে ফিরে আসে ১০০ লোক। এতে করে একক যাত্রার ভারসাম্য হয় না। এই যে সকালে একদিকে যাত্রীর চাপ বেশি থাকে আর ফিরে আসে কম, তাই বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত টিকিট নিয়ে টানাটানি থাকে।

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, এ সমস্যা চলে যাবে। এ মাসের ১৬ তারিখে ২০ হাজার টিকিট দেশে আসার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এটা মাসের শেষের দিকে হাতে পাওয়া যাবে। কয়েকটা জায়গা থেকে টিকিট বানানোর প্রক্রিয়া হয়ে থাকে। জাপান টিকিট দিলেও এটার প্রিন্টিং হয় ইন্ডিয়া থেকে। মোট ৪ লাখ টিকিট কেনা হচ্ছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২০ হাজার টিকিট পাওয়া গেছে। ১৬ তারিখে ২০ হাজার টিকিট আসার পর আবার ২৮ ডিসেম্বর আরও ৩০ হাজার টিকিট আসার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এতে করে সামনের মাসের মধ্যে সংকট কেটে যাবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন

ডিসেম্বরেই আসছে মেট্রোরেলের ‘একক যাত্রা’র ২০ হাজার কার্ড

আপডেট সময় ০৬:১০:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪

আইএনবি ডেস্ক: দ্রুতগতির গণপরিবহন মেট্রোরেলের বিভিন্ন স্টেশনে ‘একক যাত্রা’র কার্ড সংকটে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০ হাজার কার্ড চলতি ডিসেম্বর মাসেই আসছে বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

এদিকে কার্ড সংকট মোকাবিলায় ডিএমটিসিএল নতুন করে একক যাত্রার কার্ড সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়। নতুন উদ্যোগে ৪ লাখ নতুন কার্ড অর্ডার করা হয় জাপানে। এর মধ্যে প্রথম ২০ হাজার কার্ড গত নভেম্বর মাসে দেশে আসে।

ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, মেট্রোরেল যখন চালু হয় তখন স্টেশনগুলোতে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪১টি একক যাত্রার কার্ড দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক বছর ৯ মাস পর গত অক্টোবর মাসে জানানো হয় ২ লাখের বেশি একক যাত্রার কার্ড হারিয়ে গেছে। কারণ হিসেবে বলা হয়, যাত্রীরা অনেক কার্ড সঙ্গে নিয়ে গেছেন, আবার কিছু কার্ড নষ্ট হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তখন প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে যাওয়া কার্ডগুলো যাত্রীদের ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানায়। এজন্য মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে একটি করে বক্সও দেওয়া হয়েছিল।

মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-৬ এর প্রকল্প পরিচালক মো. জাকারিয়া বলেন, শুরুতে এমআরটি পাসসহ ৩ লাখ ১৪ হাজার টিকিট (কার্ড) আনা হয়েছিল। সেখান থেকে এখন টিকিট আছে মাত্র ৪০ হাজার। অনেক যাত্রী ট্রেনে বসেই টিকিট ধনুকের মতো বাঁকা করেন। এতে টিকিটের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।

স্টেশনগুলোতে কার্ড সংকট সম্পর্কে তিনি বলেন, সকালে বেশিরভাগ যাত্রী মতিঝিল-সচিবালয় যান। ফলে টিকিটগুলো সব ওইদিকে চলে যাচ্ছে। উত্তরার এ পাশ থেকে যদি ২০০ লোক যায়, তবে ফিরে আসে ১০০ লোক। এতে করে একক যাত্রার ভারসাম্য হয় না। এই যে সকালে একদিকে যাত্রীর চাপ বেশি থাকে আর ফিরে আসে কম, তাই বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত টিকিট নিয়ে টানাটানি থাকে।

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, এ সমস্যা চলে যাবে। এ মাসের ১৬ তারিখে ২০ হাজার টিকিট দেশে আসার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এটা মাসের শেষের দিকে হাতে পাওয়া যাবে। কয়েকটা জায়গা থেকে টিকিট বানানোর প্রক্রিয়া হয়ে থাকে। জাপান টিকিট দিলেও এটার প্রিন্টিং হয় ইন্ডিয়া থেকে। মোট ৪ লাখ টিকিট কেনা হচ্ছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২০ হাজার টিকিট পাওয়া গেছে। ১৬ তারিখে ২০ হাজার টিকিট আসার পর আবার ২৮ ডিসেম্বর আরও ৩০ হাজার টিকিট আসার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এতে করে সামনের মাসের মধ্যে সংকট কেটে যাবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট