ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার Logo রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে বঙ্গভবন ঘিরে কৌতূহল Logo ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে কথা না বলায় ক্যাটরিনার ফ্যান পেজ বন্ধ Logo জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা Logo মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ আটক Logo হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু Logo সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের ফ্ল্যাটে মিলেছে ৩০০ কোট, ৫৩২ টাই ও ১০০ কামিজ Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার

খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানে হামলা না করার জন্য সৌদি যুবরাজ প্রকাশ্যে কূটনীতিকে সমর্থন দিতেন এবং বলতেন, তেহরানে হামলা চালানোর জন্য সৌদির ভূখণ্ড ব্যবহার করা যাবে না। রয়টার্স ।

কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সময় ইরানে হামলা নিয়ে ভিন্ন কথা বলতেন সৌদি যুবরাজ। তিনি ট্রাম্পকে সতর্ক করতেন, ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ না নিলে পরিণতি খারাপ হবে।

দুইটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইরানে হামলা শুরুর কিছুক্ষণ আগে খামেনি নিরাপদ একটি স্থানে তার দুই সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি এবং আলি শামখানির সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এরপরেই সেখানে অতর্কিত হামলা চালায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে ওয়াশিংটিন পোস্ট, তেহরানে হামলা ইস্যুতে সৌদি ও ইসরায়েলের একই অবস্থানের জন্য তাদেরকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

রিপোর্টে বলেছে, দেশ দুইটির এই যৌথ প্রচেষ্টা ট্রাম্পকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের জন্য অভিযান চালাতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল-সৌদির চাপেই ট্রাম্প ইরানে হামলা শুরু করেছে। ইরানে হামলা শুরুর করার জন্য ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন সৌদি যুবরাজ। অথচ প্রকাশ্যে তিনি ভিন্ন কথা বলতেন।

যুবরাজ সালমান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে বলেছিলেন, তেহরানে হামলার জন্য সৌদি আরব তার আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।

অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের যুবরাজ বলতেন, মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন যদি তাদের উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি ব্যবহার না করে, তাহলে ইরান আরও শক্তিশালী এবং বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় যুবরাজের ভাই খালিদ বিন সালমানও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাইভেট বৈঠকে একই বার্তা দিয়েছিলেন। যুবরাজ সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যে তিনি তেহরানকে রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন।

সর্বশেষ, ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল কুয়াকাটা সাগর, উপকূলে ফিরেছে শত শত ট্রলার

খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানে হামলা না করার জন্য সৌদি যুবরাজ প্রকাশ্যে কূটনীতিকে সমর্থন দিতেন এবং বলতেন, তেহরানে হামলা চালানোর জন্য সৌদির ভূখণ্ড ব্যবহার করা যাবে না। রয়টার্স ।

কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সময় ইরানে হামলা নিয়ে ভিন্ন কথা বলতেন সৌদি যুবরাজ। তিনি ট্রাম্পকে সতর্ক করতেন, ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ না নিলে পরিণতি খারাপ হবে।

দুইটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইরানে হামলা শুরুর কিছুক্ষণ আগে খামেনি নিরাপদ একটি স্থানে তার দুই সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি এবং আলি শামখানির সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এরপরেই সেখানে অতর্কিত হামলা চালায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে ওয়াশিংটিন পোস্ট, তেহরানে হামলা ইস্যুতে সৌদি ও ইসরায়েলের একই অবস্থানের জন্য তাদেরকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

রিপোর্টে বলেছে, দেশ দুইটির এই যৌথ প্রচেষ্টা ট্রাম্পকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের জন্য অভিযান চালাতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল-সৌদির চাপেই ট্রাম্প ইরানে হামলা শুরু করেছে। ইরানে হামলা শুরুর করার জন্য ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন সৌদি যুবরাজ। অথচ প্রকাশ্যে তিনি ভিন্ন কথা বলতেন।

যুবরাজ সালমান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে বলেছিলেন, তেহরানে হামলার জন্য সৌদি আরব তার আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।

অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের যুবরাজ বলতেন, মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন যদি তাদের উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি ব্যবহার না করে, তাহলে ইরান আরও শক্তিশালী এবং বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় যুবরাজের ভাই খালিদ বিন সালমানও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাইভেট বৈঠকে একই বার্তা দিয়েছিলেন। যুবরাজ সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যে তিনি তেহরানকে রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন।

সর্বশেষ, ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট